যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ৪০ দিনের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ শীর্ষ পর্যায়ের অন্তত ছয়জন নেতার মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। দুই দেশের দাবি, তাদের হামলায় ৫০ জনের বেশি ইরানি নেতা নিহত। রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক সূত্র থেকে জানা গেছে, ইরানের শাসনব্যবস্থার মেরুদণ্ড হিসেবে এই প্রভাবশালী ব্যক্তিরা পরিচিত ছিলেন।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি হামলার শুরুতেই, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নিহত হন। ১৯৮৯ সাল থেকে ৩৬ বছর ধরে তিনি দেশটির সর্বোচ্চ ক্ষমতায় ছিলেন।
খামেনির ঘনিষ্ঠ ও প্রভাবশালী কূটনৈতিক পরিকল্পনাকারী আলী লারিজানিও নিহত। তিনি সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব ছিলেন।
প্রতিরক্ষা ও সামরিক ক্ষেত্রে ইরান বড় ধাক্কা খেয়েছে। ডিফেন্স কাউন্সিলের সচিভ আলী শামখানি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহত। তিনি আগে নৌবাহিনীর কমান্ডার ছিলেন।
নিহতদের তালিকায় রয়েছেন বর্তমান প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ, যিনি আগে বিমানবাহিনীর প্রধান ছিলেন। গোয়েন্দাবিষয়ক মন্ত্রী ইসমাইল খাতিবও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত। ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) শীর্ষ কমান্ডে ধস নেমেছে। বাহিনীর প্রধান জেনারেল মোহাম্মদ পাকপুর নিহত হয়েছেন।
এছাড়া বাসিজ বাহিনীর গোলামরেজা সোলাইমানি নিহত, তাঁর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দমনে কঠোর ভূমিকার অভিযোগ ছিল। সর্বোচ্চ নেতার সামরিক দপ্তরের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ শিরাজিও নিহত। আইআরজিসির নৌ শাখার কমান্ডার আলিরেজা তাংশিরি গত মাসে নিহত হন।
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আবদুর রহিম মৌসাভি ও আইআরজিসির গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান মেজর জেনারেল সাইয়েদ মাজিদ খাদেমি সম্প্রতি নিহত হয়েছেন।






