
ট্রাম্পের বক্তব্যের জবাব: ‘ইরানকে বিশ্বকাপ থেকে কেউ বাদ দিতে পারবে না’
বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হওয়ার এখন আর তিন মাসও বাকি নেই। কিন্তু ইরানের বিশ্বকাপে খেলা না–খেলার অনিশ্চয়তা যেন ক্রমেই বাড়ছে।

বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হওয়ার এখন আর তিন মাসও বাকি নেই। কিন্তু ইরানের বিশ্বকাপে খেলা না–খেলার অনিশ্চয়তা যেন ক্রমেই বাড়ছে।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর দেশটির বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। গত সপ্তাহে আটলান্টায় ফিফার প্রস্তুতি সভায় একমাত্র ইরানই অনুপস্থিত ছিল।

ইরানের ক্রীড়ামন্ত্রী আহমাদ দানিয়ামালির সাফ কথা—যাদের হাতে তাদের নেতার রক্ত লেগে আছে, সেই যুক্তরাষ্ট্রে খেলতে যাবে না ‘পার্সিয়ান লায়ন’রা।

চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি সত্ত্বেও ইরান ফুটবল দল যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারবে বলে আশা করছে ফিফা।

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলে অংশ নেওয়া নিয়ে আবারও সংশয় প্রকাশ করেছেন ইরান ফুটবল ফেডারেশনের (এফএফআইআরআই) সভাপতি মেহদি তাজ।

ইউরোপীয় প্লে-অফ থেকে ৪টি ও আন্তমহাদেশীয় প্লে-অফ থেকে ২টি দল সুযোগ পাবে বিশ্বকাপে। সেই প্লে–অফের বাধা পেরিয়েই বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ আছে ইরাকেরও।

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সঙ্গে সহ–আয়োজক মেক্সিকোর তিনটি শহরে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপের ম্যাচ। আগামী ১১ জুন থেকে শুরু হবে বিশ্বকাপ ফুটবল।

প্রতিটি ভেন্যুর জন্য একটি করে ১৬টি এবং বিশ্বকাপের জন্য কেন্দ্রীভূত একটিসহ মোট ১৭টি পোস্টার তৈরি করা হয়েছে এবার।

বিশ্বকাপ শুরু হতে এখনো তিন মাসের বেশি বাকি। কিন্তু এরই মধ্যে দেখা মিলল তারকা–পতনের। চোটের কারণে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলে রদ্রিগো।

ইরানি সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যু এবং পাল্টাপাল্টি হামলার এই ডামাডোলে বড় এক প্রশ্নচিহ্ন ঝুলে গেছে আগামী জুনে হতে যাওয়া ফুটবল বিশ্বকাপের ওপর।

ইরানের ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহদি তাজ বলেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলতে পারবে কি না, এ মুহূর্তে তা তিনি জানেন না।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার ঘটনায় নড়ে উঠেছে ফুটবল বিশ্বও। অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপ ও ফিনালিসিমা নিয়েও।