ভারতীয় জেন–জিদের ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ কী বার্তা দিচ্ছে
এই অনলাইন আন্দোলনের বিস্তার ঘটে অস্বাভাবিক দ্রুততায়। সিজেপি গত শনিবার ওয়েবসাইট চালু করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খোলে অ্যাকাউন্ট।
এই অনলাইন আন্দোলনের বিস্তার ঘটে অস্বাভাবিক দ্রুততায়। সিজেপি গত শনিবার ওয়েবসাইট চালু করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খোলে অ্যাকাউন্ট।
শুধু ‘ভুল শোধরানো’ নয়, তেলাপোকাদের দল সিজেপির মোকাবিলায় বিজেপি নেতৃত্ব কঠোর হওয়ার সিদ্ধান্তও নিয়েছে।
পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার পর সিজেপির আন্দোলন প্রত্যাহার হলেও গ্রেপ্তার ও মামলার অভিযোগ তুলেছে দলটি।
জেন–জি প্রজন্মের আন্দোলন ও সিজেপির চাপে পদত্যাগ করলেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান; দপ্তর বদলের প্রস্তাব নাকচ করে পূর্ণ পদত্যাগের দাবিতে অটল ছিল আন্দোলনকারীরা।
সিজেপির তরুণ সমর্থকেরা র্যাপ সংগীত, প্ল্যাকার্ড ও দেয়াললিখনের মাধ্যমে প্রকাশ্যেই মোদিকে নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করেছেন। কয়েক সপ্তাহ আগেও এমন ঘটনা প্রায় অকল্পনীয় ছিল।
সরকার তাদের অবস্থান থেকে সরে আসবে বলে মনে হচ্ছে না। ফলে দুই পক্ষের মধ্যে অচলাবস্থা আরও জোরালো হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
দিল্লির যন্তর মন্তর মানমন্দিরে সিজেপির অবস্থান কর্মসূচি থেকে শিক্ষাবিদ ও আন্দোলনকর্মী সোনম ওয়াংচুককে জোরপূর্বক সরিয়ে দিয়েছে পুলিশ।
‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা সিজেপির আন্দোলন উপেক্ষা না করে তাদের পাশে দাঁড়ানো জরুরি বলে মনে করেছেন বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোটের কোনো কোনো শরিক।
অভিজিৎ বলেন, সপ্তাহজুড়ে দেশের সর্বত্র যুবসমাজ বিক্ষোভ দেখাবে। শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ না করলে ১৩ জুন শনিবার আরও একবার যন্তর মন্তরে সিজেপির সমাবেশ হবে।
যন্তর মন্তরের এক ধারে ছোট এক মঞ্চ গড়ে তোলা হয়েছিল। তার পেছনে এক প্ল্যাকার্ডে সিজেপির প্রতীকের নিচে ইংরেজিতে লেখা ‘পিসফুল প্রটেস্ট’ বা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ।
সিজেপিকে একটি প্রাথমিক পর্যায়ের সামাজিক আন্দোলন হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে, যা রাজনৈতিকভাবে সোচ্চার, ডিজিটালি সুসংগঠিত ও আবেগে চালিত।