‘প্রতিটি মানুষ যদি নিজেকে নিরাপদ মনে না করে, তবে গণতন্ত্র অর্থহীন’
সংলাপে দলিত ও হারিজন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা তাঁদের কষ্টের কথা তুলে ধরেন। তাঁরা জানান, নির্বাচন এলেই তাঁদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়।
সংলাপে দলিত ও হারিজন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা তাঁদের কষ্টের কথা তুলে ধরেন। তাঁরা জানান, নির্বাচন এলেই তাঁদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলছে, বাংলাদেশে নির্বাচন সামনে রেখে নারী, মেয়ে ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা বাড়ছে, যা মানবাধিকার রক্ষায় দেশটির অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতা প্রকাশ করছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন ও হুমকি বৃদ্ধি, নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য সাত দফা প্রস্তাব।
আসন্ন নির্বাচনকে বিঘ্নিত করতে এসব কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী নাগরিকদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক দেশের ঐতিহ্যের অংশ।
বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক হামলাকে ব্যক্তিগত শত্রুতা, প্রতিহিংসা এবং রাজনৈতিক মতভিন্নতাসহ অন্যান্য কারণে সংঘটিত ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল।
অভ্যুত্থানের চেতনা কতখানি বেহাত হলো, সে বিষয়ে সন্দিহান করে তোলে। কেননা, জুলাইয়ের সময় ‘বৈষম্যহীন’, ‘নতুন বন্দোবস্ত’ ও ‘ইনসাফের’ জন্যই সাধারণ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিল। দিন শেষে মানুষ শান্তি চায়, চায় জীবনমানের দৃশ্যমান উন্নতি। এই চাওয়ার কতখানি পেলাম আমরা, তা নৈর্ব্যক্তিকভাবে পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি।
ভারতের মুম্বাইয়ে বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের একেবারে সামনে এসে বিক্ষোভ করেছেন হিন্দুত্ববাদী সংগঠন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (ভিএইচপি) নেতা-কর্মীরা।
সংখ্যালঘুবিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা ও জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হওয়া হামলা ও নির্যাতনের বিচার নিশ্চিত করার দাবি করেছে সম্মিলিত সনাতন পরিষদ।
কাদিয়ানি সম্প্রদায়কে ‘অমুসলিম সংখ্যালঘু’ ঘোষণা এবং আরও ৯ দফা দাবি জানিয়ে জাতীয় উলামা মাশায়েখ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
লিভারপুলের সংখ্যালঘু মালিকানা ‘১৮৯২ হোল্ডিংস’ কনসোর্টিয়ামের কাছে বিক্রির চূড়ান্ত চুক্তি হয়েছে। কনসোর্টিয়ামের নেতৃত্বে অমিত ভাটিয়া থাকলেও বেজোস নিজে পরিচালনা পর্ষদে থাকছেন না।
বিশ্বকাপ, ক্লাব বিশ্বকাপসহ নিজেদের প্রধান ফুটবল আসরগুলো পরিচালনা করতে নতুন একটি কোম্পানির কাছে বড় আকারের সংখ্যালঘু শেয়ার বিক্রির পরিকল্পনা করেছে ফিফা।
চার ছাত্রীই সবাই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের। তারা একই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, বাড়িও একই গ্রামে। তাদের মধ্যে তিনজন দশম শ্রেণি এবং একজন অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী।