যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী কেন ইরান যুদ্ধ শেষ করতে পারছে না
ইরান তার সীমিত সামর্থ্যকেই যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘গলার কাঁটা’ বানিয়ে ছেড়েছে।
ইরান তার সীমিত সামর্থ্যকেই যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘গলার কাঁটা’ বানিয়ে ছেড়েছে।
কাতার ও সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের ২ ট্রিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ সম্পর্ক পুনর্বিবেচনার কথা ভাবছে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা দেবে।
ওয়াশিংটনের এই কৌশলের বিরূপ প্রভাব কেবল আঞ্চলিক সীমানায় সীমাবদ্ধ নয়।
অবশেষে নির্ধারিত সময়ের দুই দিন পর গতকাল রোববার ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শান্তি আলোচনা শুরু হয়েছে।
২ মার্চ থেকে ইসরায়েলের হামলায় লেবাননে ৩ হাজার ৬০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের কাছাকাছি। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হরমুজ প্রণালী চালু এবং পরমাণু আলোচনার পথ খুলবে। এতে তেলের দাম কমেছে, তবে ইসরায়েল লেবাননে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
ট্রাম্পের নীতিতে বিভক্ত ইভানজেলিক্যাল খ্রিষ্টানরা।
বিপুল ক্ষয়ক্ষতির পরও ইরান উল্লেখযোগ্য সামরিক সক্ষমতা ধরে রাখতে পেরেছে।
পাল্টাপাল্টি হামলা সত্ত্বেও ইরানি সূত্র ও পশ্চিমা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, একটি প্রাথমিক শান্তিচুক্তি নিয়ে দুই দেশের মধ্যকার পরোক্ষ আলোচনা আরও জোরদার হয়েছে।
ইরানের সরকার সহজে ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা কম। এটি একটি বিস্তৃত ও শক্ত প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে আছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ সচল রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করছে পাকিস্তান।
‘আমরা সংলাপের জন্য আগ্রহী, কিন্তু কোনো অমূলক বা জবরদস্তিমূলক দাবির কাছে মাথানত করব না।’