
অটোরিকশা-প্রাইভেট কারের ‘ঘষা লাগাকে’ কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ছয় সাংবাদিকসহ আহত ১৬
মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য দুই পক্ষের নেতাদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন। বৈঠকের পর উভয় পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান থেকে সরে দাঁড়ায়।

মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য দুই পক্ষের নেতাদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন। বৈঠকের পর উভয় পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান থেকে সরে দাঁড়ায়।

একসময় গ্রামের প্রায় বাড়িতেই একটা-দুইটা ডেউয়ার গাছ দেখা যেত। ফলটি পুষ্টিকর ও ভেষজ গুণসম্পন্ন। এখন তেমন দেখাই যায় না—প্রায় হারিয়ে যাওয়ার পথে।

মৌলভীবাজারের মনু নদের পাড়ে জারুল ফুলের বেগুনি সৌন্দর্য মনোমুগ্ধকর দৃশ্য সৃষ্টি করেছে। কয়েক বছর আগে লাগানো অর্ধশত গাছ এখন ফুলে ভরে শহরকে আকর্ষণীয় করে তুলেছে। জারুলের বৈশিষ্ট্য ও ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত।

বাংলাদেশ চা বোর্ড মৌলভীবাজারের চা বাগানে ব্যবস্থাপক পদে একজন কর্মী নিয়োগ করবে। আবেদনের শেষ তারিখ ২৭ মে ২০২৬। বিস্তারিত যোগ্যতা ও প্রক্রিয়া জানুন এখানে।

মৌলভীবাজারের রাজনগরের কাশিমপুরে অসময়ের পানিতে হাজার হাজার কিয়ার ধান তলিয়ে গেছে। কৃষক ইয়াওর মিয়া বলছেন, ‘যেগুলো ধান পেয়েছি, আজ খেতাম না ঋণ দিতাম।’ সারা বছরের খোরাকি ও আয়ের আশা এখন হাহাকারে পরিণত হয়েছে।

১৩ বছর ধরে ধূসর বুলবুলির খোঁজে পাহাড়ি বনে ঘুরে বেড়িয়েছেন লেখক। আদমপুর থেকে হাজারিখিল পর্যন্ত এই দুর্লভ পাখির সাক্ষাৎ পেয়েছেন কয়েকবার। এর বর্ণনা, আচরণ ও প্রজননকাল সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন।

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার মুরইছড়া সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে ঠেলে পাঠানো ১০ বাংলাদেশি নাগরিককে পুলিশ তাঁদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেছে। গতকাল শুক্রবার বিজিবি তাঁদের আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। স্বজনরা থানায় এসে তাঁদের নিয়ে যান।

হাকালুকি হাওরে ধান ডুবে স্ট্রোক হয়েছে বর্গাচাষি বকুল দাস (৪৫)। সিলেট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তাঁর অপেক্ষায় তিন সন্তান কিস্তির চাপ সহ্য করছে। ফসলহানি ও ঋণের জন্য পরিবার সংকটে।

মৌলভীবাজারের কাউয়াদীঘি হাওরে অকালবন্যায় তলিয়ে গেছে কৃষক নোমান মিয়ার ১৬ কিয়ার বোরো ধান। দেনার দায়ে জর্জরিত এ কৃষকের ‘সন্তানসম’ ফসল হারানোর আর্তনাদ ও বুকসমান পানি থেকে ধান উদ্ধারের লড়াইয়ের কথা উঠে এসেছে তাঁর কথায়।

দুই বন্ধু জানান, এবার মৌসুমের শুরুতে প্রতি মণ কালো ধানের বিক্রয়মূল্য আড়াই হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার কাউয়াদীঘি হাওরপারের অন্তেহরি গ্রামের চিত্র সবচেয়ে বেশি খারাপ। পাকা ধানের খেত পানির নিচে, কেটে আনা ধানও রোদ না থাকায় শুকানো যায়নি।

সরকারি হিসাবে অতিবৃষ্টি ও উজানের পাহাড়ি ঢলে জুড়ী উপজেলার ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ ধান পানির নিচে চলে গেছে।