রাস্তা, কালভার্ট ও কর্মসংস্থান—উন্নয়ন বলতে এসবই মনে করেন ৭৭% ভোটার: সিপিডির জরিপ
ভোটারদের পাশাপাশি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের মধ্যেও উন্নয়ন নিয়ে প্রায় একই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি দেখা গেছে।
ভোটারদের পাশাপাশি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের মধ্যেও উন্নয়ন নিয়ে প্রায় একই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি দেখা গেছে।
নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না দুই আঞ্চলিক দল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) ও ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)। এই অঞ্চলের পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ওপর এই দুটি দলের প্রভাব রয়েছে।
তরুণ ভোটারদের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে যেমন আছে উচ্ছ্বাস, তেমনি ভোটের পরিবেশ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে শঙ্কাও কাজ করছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনার ছয়টি আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ৩৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁদের মধ্যে নারী প্রার্থী আছেন মাত্র একজন।
বিভিন্ন জায়াগায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বাংলা সংস্কৃতি ও রাজনীতি নানা ধরনের বাইনারিতে (দ্বন্দ্বে) আবদ্ধ। এখানে ‘হয় তুমি এই পক্ষের, নয় তুমি ওই পক্ষের’।
চট্টগ্রাম -৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী আসলাম চৌধুরীকে নিয়ে ফেসবুকে বানোয়াট তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) জেরে যেসব ভোটার ‘বিচারাধীন’ অবস্থায় রয়েছেন, তাঁদের ৭০ শতাংশের বেশি মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন নিয়ে বিশেষত ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) নিয়ে বেশ ভালো গবেষণা করেছেন পারাকালা প্রভাকর।
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গে প্রথমে বাদ দেওয়া হয়েছে প্রায় ৯২ লাখ মানুষকে।
সুপ্রিম কোর্ট পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর-এ বাদ পড়া ৯১ লাখ ভোটারদের রিট খারিজ করলেন, তবে আপিলের পথ খোলা রাখলেন। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এসআইআর প্রক্রিয়া ও আপিল ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ভোটার তালিকা ৯ এপ্রিল বন্ধ হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনে ৯১ লাখের নাম বাদ, তৃতীয় দফায় ৬৫ শতাংশ মুসলিম। মুর্শিদাবাদে সবচেয়ে বেশি ছাঁটাই, রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র। তৃণমূল অভিযোগ করেছে বিজেপির নির্দেশে কমিশন কোপ মেরেছে।