
বাংলাদেশের সংস্কৃতির খোঁজে
আমাদের দেশে সংস্কৃতির আধুনিক ধারণার উদয়ের একটা উপনিবেশি পরম্পরা আছে। প্রাগাধুনিক সমাজে ধর্ম, রীতি, দেশাচার, আর্যত্ব, তমদ্দুন, তাহজিব, রসম, রেওয়াজ ইত্যাদির ধারণা থাকলেও হালে সংস্কৃতির ধারণা অপেক্ষাকৃত নতুন।

আমাদের দেশে সংস্কৃতির আধুনিক ধারণার উদয়ের একটা উপনিবেশি পরম্পরা আছে। প্রাগাধুনিক সমাজে ধর্ম, রীতি, দেশাচার, আর্যত্ব, তমদ্দুন, তাহজিব, রসম, রেওয়াজ ইত্যাদির ধারণা থাকলেও হালে সংস্কৃতির ধারণা অপেক্ষাকৃত নতুন।

আর যদি বাঙালি মুসলমান সমাজের পক্ষ থেকে ধরি, তাহলে বলতে হয়, তিনি মুসলমানদের মধ্যে ‘বাঙালি’ পরিচয় উচ্চকিত করা অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব।

পয়লা বৈশাখ বাঙালি পরিচয়ের প্রতীক হিসেবে কৃষিভিত্তিক ঐতিহ্য থেকে সাংস্কৃতিক প্রতিরোধের হাতিয়ারে রূপান্তরিত হয়েছে। মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তন নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে ইউনেসকো স্বীকৃতির প্রসঙ্গে। অসাম্প্রদায়িকতা ও সামাজিক ঐক্য রক্ষায় এর তাৎপর্য অপরিসীম।

বাঙালি জাতিসত্তা ও আবহমানকালের গৌরবময় সংস্কৃতির আনন্দঘন উদ্যাপনের দিন আজ।

প্রখ্যাত গায়িকা আশা ভোসলের মৃত্যুতে স্মৃতিচারণ করেছেন সাবিনা ইয়াসমীন। ঢাকা ও বোম্বের স্মৃতি তুলে ধরে বলেছেন, আশাজির নম্রতা ও বাঙালি খাবারের প্রতি ভালোবাসা তাঁকে মুগ্ধ করেছিল। তাঁর গান এখনো হৃদয়ে বেঁচে আছে।

বামপন্থীদের দুটি পক্ষই ধর্মীয় পরিচয়বাদের রাজনীতির বিষয়ে সচেতন। কিন্তু বাঙালি জাতীয়তাবাদী পরিচয়বাদের রাজনীতি নিয়ে তাঁদের অপর অংশটি কি সমান সচেতন? সচেতন হলে এই পরিচয়বাদ রক্ষার নামে কর্তৃত্ববাদী শাসনের সমর্থন কীভাবে সম্ভব?

মালয়েশিয়ার প্রবাসী বাঙালিরা মালাক্কা প্রণালী পাড়ি দিয়ে পুলাউ বেসার দ্বীপে স্পিডবোটে ভ্রমণ করেন। সুলতান আল আরিফিনের কবর পরিদর্শন, সমুদ্রসৈকত উপভোগ ও ফেরার পথের গল্প। মালাক্কা থেকে কুয়ালালামপুরে ফেরার আনন্দময় যাত্রা।

‘আশ্রম’ সিরিজে সাহসী ভূমিকায় অভিনয় করে আলোচিত <strong>ত্রিধা চৌধুরী</strong>। বাংলা চলচ্চিত্রে প্রাপ্য সুযোগ না পাওয়ায় আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন এই বাঙালি অভিনেত্রী। মুম্বাইয়ে সাক্ষাৎকারে ক্যারিয়ার, সংগ্রাম ও ব্যক্তিগত জীবনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন।

ইন্টারন্যাশনাল কমিশন অব জুরিস্টস প্রকাশিত ‘দ্য ইভেন্টস ইন ইস্ট পাকিস্তান’ (১৯৭২) শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাঙালিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার আছে।

‘জয় বাংলা বাংলার জয়’ গানটিকেই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের রণসংগীত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোত্রনির্বিশেষে এই গানকে আরাধ্য করেই মুক্তির পথে এগিয়ে যায় সমগ্র বাঙালি। এই গান স্বাধীন বাংলা বেতারের সূচনা সংগীত; জাতীয় স্লোগানও বটে।

বাঙালি জাতির স্বাধিকারস্পৃহা দমনের উদ্দেশ্যে ১৭ জানুয়ারি লারকানায় যে ষড়যন্ত্রের বীজ বপন করেছিল, ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে বাঙালির ওপর প্রবল ও ধ্বংসাত্মক আক্রমণ চালানোর মধ্য দিয়ে তা কার্যকর করার চেষ্টা করে।

বাংলাদেশে যদি ম্যালেরিয়া না আসত, মংপুর এই বাড়িটি কখনোই রবীন্দ্র–ভক্ত বাঙালির ভ্রমণসূচিতে স্থান পেত না।