
সংবাদপত্র সরকারের পক্ষে-বিপক্ষে খবর ছাপে, ভয় পায় না: প্রধানমন্ত্রী
মৌলভীবাজারে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘যারা আমাদের ভোট দিয়েছে, আমরা যেমন তাদের সরকার; যারা ভোট দেয়নি, তাদেরও সরকার।’

মৌলভীবাজারে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘যারা আমাদের ভোট দিয়েছে, আমরা যেমন তাদের সরকার; যারা ভোট দেয়নি, তাদেরও সরকার।’

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠান ঘিরে ব্যাপক অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে। অনুষ্ঠান শুরুর আগেই প্রবল বাতাস ও বৃষ্টিতে উপকারভোগীদের জন্য নির্মিত প্যান্ডেল ভেঙে পড়ে।

প্রস্তাবিত বাজেটকে উৎপাদন ও বিনিয়োগবান্ধব ‘ক্রিয়েটিভ’ বাজেট বললেন মির্জা ফখরুল।

প্রধানমন্ত্রী আশা করেন, এই প্রণোদনার ফলে বিদেশে বসবাসকারী বাংলাদেশিরাও দেশে বিনিয়োগ করবেন। এর বাইরেও মেধা ও যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিরা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ করতে সক্ষম হবেন।

ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা এবং দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচির সম্প্রসারণ নিম্ন ও মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠীর জন্য কিছুটা স্বস্তি বয়ে আনতে পারে। তবে সামাজিক সুরক্ষার প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে সঠিক উপকারভোগী নির্বাচন এবং স্বচ্ছ বাস্তবায়নের ওপর।

শ্রমজীবী অনেক মানুষের আপাতত ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার সুযোগও নেই। তাই কাজের জন্য অপেক্ষা করা ছাড়া আর কোনো গতি নেই তাঁদের।

আগামীকাল শনিবার চাঁদপুর সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। খাল খননের উদ্বোধনসহ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি ও জনসভায় অংশ নেবেন তিনি। জেলা বিএনপির নেতারা উন্নয়নমূলক বিভিন্ন দাবি তুলবেন।

ফ্যামিলি কার্ডধারী চার কোটি পরিবার এবং কৃষি কার্ডধারী পৌনে তিন কোটি কৃষককে অর্থ সহায়তা হিসাব-নিকাশ করে দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

গণভোট ও জুলাই সনদ নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে, এমন ব্যক্তিদের প্রশ্রয় না দিতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকারের দর্শন ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’। ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মাধ্যমে চার কোটি পরিবারকে আওতায় আনা হবে। প্রথম ধাপে ৩৭ হাজার ৮১৪ পরিবার কার্ড পেয়েছে।

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির প্রথম সভায় সরকারের ৪৭ দিনের কর্মকাণ্ড নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। খাল খনন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণসহ বিভিন্ন কর্মসূচির প্রশংসা করেন নেতারা। জ্বালানি তেলের অস্থিরতা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানান, ১০ দেশে পাচারকৃত অর্থের খোঁজ চলছে এবং শেখ হাসিনাসহ ১১ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের সম্পদ পুনরুদ্ধারের আইনি প্রক্রিয়া অগ্রসর। ২০০৯-২০২৩ সালে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচারের তথ্য তুলে ধরে চুক্তি ও তদন্তের অগ্রগতি জানান। ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিতে নারীর ক্ষমতায়নের কথাও বলেন।