শাহ আবদুল করিমের জীবন ও গানের অনুপুঙ্খ বিশ্লেষণ
এই কর্মযজ্ঞে যে শাহ আবদুল করিম–সম্পর্কিত দীর্ঘদিনের প্রস্ততি এবং অন্বেষা, অনুসন্ধান ও আবিষ্কারের ফসল, তা সার্থক।
এই কর্মযজ্ঞে যে শাহ আবদুল করিম–সম্পর্কিত দীর্ঘদিনের প্রস্ততি এবং অন্বেষা, অনুসন্ধান ও আবিষ্কারের ফসল, তা সার্থক।
কেউ ঋণ নিয়েছিলেন ফসল ফলানোর আশায়। কেউ ব্যবসা দাঁড় করাতে। কেউ আবার পারিবারিক প্রয়োজনে। সময়মতো সেই ঋণের কিস্তি দিতে না পেরে ঋণ করেছেন আরও একাধিক সংস্থায়।
দক্ষিণ লেবাননের খিয়াম এলাকার বাইরের একটি বনাঞ্চলে গতকাল মঙ্গলবার ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী অগ্নিগোলক নিক্ষেপ করলে সেখানে ভয়াবহ আগুন ধরে যায়।
জমি সংকোচন, পরিবেশগত চাপ ও নতুন প্রজন্মের অনাগ্রহে পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বহুফসলি জুমচাষ সংকুচিত হচ্ছে।
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ভেটখালী বিলে হিমখালী খাল ও বিকল্প নিষ্কাশন পথ দখলের কারণে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে দুই শতাধিক বিঘা ফসলি জমি তলিয়ে যাওয়ায় এবং বসতভিটা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় কৃষক ও বাসিন্দারা।
বান্দরবান সদর উপজেলার লেমুঝিড়ি আগা ঘোনা পাড়ায় পৌরসভার বর্জ্য ছড়িয়ে পড়ায় ১০ একর তিন ফসলি কৃষিজমি চাষের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এতে কৃষকদের জীবিকা হুমকির মুখে পড়ার পাশাপাশি পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর তীব্র ভাঙনে প্রতিদিনই নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও বসতভিটা। মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকুও হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ছে শত শত পরিবার। এমন পরিস্থিতিতে ভাঙনরোধে কাজ করতে গিয়ে ভাঙনস্থলের পাশেই চর এলাকার কৃষি জমি থেকে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করে সেই বালু দিয়েই জিওব্যাগ ফে
কৃষকের ছদ্মবেশ ধরে দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল থানা পুলিশ। শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৬টার দিকে পাশের নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার রাওতা গ্রামের একটি ফসলি জমি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। নাচোল থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ফরহাদ হোসেন কৃষকের
বর্ষা এলেই নড়াইলের নড়াগাতী থানার মাউলি ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে শুরু হয় ভিটেমাটি হারানোর আতঙ্ক। নবগঙ্গা নদীর পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পারের মানুষ গুনতে থাকেন শেষ সময়ের প্রহর। গত প্রায় এক দশক ধরে চলা নদীভাঙনে ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে গ্রামের পর গ্রাম, বসতভিটা ও ফসলি জমি। স্থায়ী বাঁধ নির্ম
৫ থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত সাত দিনের বন্যায় কক্সবাজার জেলার ৯টি উপজেলায় ২৩ হাজার ২৮৪ জন কৃষকের ফসলহানি হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে পেকুয়া, চকরিয়া, মাতামুহুরী, কুতুবদিয়া ও রামু উপজেলার কৃষকদের।
উজানের ঢলে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তীব্র আকার ধারণ করেছে নদীভাঙন। গত দুই সপ্তাহে পদ্মার গর্ভে বিলীন হয়েছে অর্ধশতাধিক কৃষকের প্রায় ৩০০ বিঘা আবাদি জমি। চলতি মৌসুমের বিভিন্ন ফসলসহ ফসলি জমি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন পদ্মাপাড়ের মানুষ। প্রতিবছর ভাঙনে সর্বস্বান্ত হলেও
বৃষ্টিতে ১ লাখ হেক্টর ফসলি জমি তলিয়ে যায়। ৪৩ জেলার কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়।