সৌদি–পাকিস্তান–তুরস্কের চুক্তিকে ইরান কীভাবে দেখছে
চুক্তিটি যেন আঞ্চলিক বা আন্তর্জাতিক কোনো পক্ষকেই ক্ষুব্ধ না করে, সে ব্যাপারে পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক সতর্ক ছিল।
চুক্তিটি যেন আঞ্চলিক বা আন্তর্জাতিক কোনো পক্ষকেই ক্ষুব্ধ না করে, সে ব্যাপারে পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক সতর্ক ছিল।
তুরস্ক বলেছে, চুক্তিতে ইরান কিংবা অন্য কোনো দেশকে অভিন্ন হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি।
সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষরের পর মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা ভাবনা ও যুক্তরাষ্ট্র-নির্ভরতার প্রশ্ন নতুন করে জোরালো হয়েছে বলে বিশ্লেষকেরা মত দিচ্ছেন।
ইরানকে ঘিরে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘ প্রস্তুতি থাকলেও নতুন সম্ভাব্য প্রতিপক্ষটি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে, বহুমুখী সক্ষমতাসম্পন্ন এবং রাজনৈতিক টানাপোড়েনেই বেশি নির্ভরশীল—তুরস্ক থেকে পাকিস্তান পর্যন্ত নানা নাম আলোচনায়। তবে বিশ্লেষকদের মধ্যেও আছে মতভেদ ও সংশয়।
টানা দুই দশকের সরকারি বিনিয়োগের ফলে সমরাস্ত্র ও ড্রোন রপ্তানিতে বড় শক্তি হয়ে উঠেছে তুরস্ক। এখন তারা পশ্চিমা দেশগুলোতেও অস্ত্র বিক্রি করতে চাইছে।
ঢাকায় তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারের আহ্বান জানায় জামায়াতে ইসলামী।
ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রচলিত সম্পর্কের বাইরে বাংলাদেশের সঙ্গে রাজনৈতিক ও কৌশলগত সম্পৃক্ততা বাড়াতে আগ্রহী তুরস্ক।
২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ছয়টি জায়গা নিশ্চিত হয়েছে ৩১ মার্চ। ডিআর কঙ্গো ৫২ বছর পর, ইরাক ৪০ বছর পর এবং তুরস্ক ২৪ বছর পর ফিরছে। ইতালির মতো কিছু দলও বাদ পড়েছে বাছাইপর্বে।
সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ আঞ্চলিক রাজনীতিতে প্রতীকী বার্তা দিলেও চুক্তির বাস্তব লক্ষ্য ও সামরিক সমন্বয় নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে।
সাংবাদিকেরা নিরাপত্তা-সংক্রান্ত উদ্বেগের বিষয় আগেই ধারণা করতে পেরেছিলেন বলে জানান স্ল্যাটারি।
মক্কা জোটের প্রতিরক্ষা চুক্তি, জাজান হামলা এবং বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্লেষণ।
মক্কায় সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির প্রেক্ষাপট ধরে নতুন আঞ্চলিক নিরাপত্তা বাস্তবতার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির সীমাবদ্ধতাও আলোচনায় এসেছে।