আহত মোজতবা খামেনি কেমন আছেন, কী বলছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান
মোজতবা খামেনি হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার শপথ করেছেন
মোজতবা খামেনি হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার শপথ করেছেন
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধের সময়টায় সর্বোচ্চ নেতার চিরচেনা ভূমিকায় বড় পরিবর্তন এসেছে।
ইরানে গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে বিক্ষোভ চলছে।
ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজ নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির একটি বিরল ভিডিও প্রকাশ করেছে।
আয়াতুল্লাহ খামেনিকে প্রথমে মার্চ মাসে দাফনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় সেই পরিকল্পনা পিছিয়ে দেওয়া হয়।
জানাজায় সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি না থাকলেও আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির অন্য তিন ছেলে উপস্থিত ছিলেন।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার চার মাস পর ইরান ও ইরাকের পাঁচটি শহরে তাঁর দাফনের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নানা আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে তাঁকে স্মরণ করা হচ্ছে।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি শাহাদাতবরণ করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলায় খামেনি ও পাকপুর নিহত হওয়ার পর ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পর্ষদের সেক্রেটারি আলী লারিজানি জ্বালাময়ী বক্তব্য দিয়েছেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। জাতিসংঘের কোনো অনুমোদন তো দূরের কথা, কোনো পূর্বঘোষণাও ছিল না। ওই হামলায় ইরানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয় এবং নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনা শুধু ইরান নয়, গোটা মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে একটি সংকটজনক মুহূর্ত তৈরি করেছে।
ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যখন জেনেভায় পরমাণু আলোচনা শুরু হয়েছে, ঠিক তখন খামেনি এ হুঁশিয়ারি দিলেন।