জাগ্রত অবস্থায় নবীজি (সা.)-কে দেখা কি সম্ভব
কেউ কেউ দাবি করেন যে তাঁরা সশরীরে নবীজিকে দেখেছেন বা তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন। কিন্তু শরিয়তের আলোকে এই দাবির সত্যতা কতটুকু, তা পর্যালোচনার দাবি রাখে।
কেউ কেউ দাবি করেন যে তাঁরা সশরীরে নবীজিকে দেখেছেন বা তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন। কিন্তু শরিয়তের আলোকে এই দাবির সত্যতা কতটুকু, তা পর্যালোচনার দাবি রাখে।
জেনে বা না জেনে করা নিষিদ্ধ কাজগুলো আমাদের উপার্জনের বরকত নষ্ট করে দিতে পারে। চলুন জেনে নিই ব্যবাসায় ইসলামের নিষিদ্ধ ১০টি দিক।
ফকিহগণ এ নিয়ে মতভেদ করেছেন যে মিসওয়াক নির্দিষ্টভাবে অজুর সুন্নত, নাকি নামাজের সুন্নাহ, নাকি ইসলামের একটি সাধারণ সুন্নত, যা সর্বাবস্থায় ও সর্বসময়ে কাম্য?
জুওয়াইনি শিখিয়েছেন যে খেলাফত কেবল একটি ‘নাম’ নয়, এটি একটি ‘কাজ’। যদি খেলাফত না থাকে, তবে বাস্তবসম্মত প্রশাসনিক কাঠামো তৈরি করা ইসলামের বিরোধী নয়।
শরীর, মনের শক্তি, কাজের সক্ষমতা ও দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যের সঙ্গে খাদ্য সরাসরি সম্পর্কিত। আত্মিক একাগ্রতা, ঘুম, মনস্তাত্ত্বিক রূপ ও দৈনন্দিন আচরণের ওপরও খাবারের প্রভাব সুদূরপ্রসারী।
‘না জানা’ কোনো শরমের বিষয় নয়; না জানাকে কবুল করাই প্রকৃত ইলমের আলামত। জ্ঞানের ইতিহাসে বহু বিপর্যয় ঘটেছে সাময়িক জ্ঞানকে চূড়ান্ত জ্ঞান বলে ঘোষণা করায়।
আমরা তথ্য ও জ্ঞানকে এক করে ফেলছি। ইসলামে জ্ঞান অর্জন শুধু মস্তিষ্ককে তথ্যে সমৃদ্ধ করার বিষয় নয়; বরং তা আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের প্রধানতম আত্মিক মাধ্যম।
মুখ ফসকে বেরিয়ে যাওয়া কোনো কথা, অন্যায় দৃষ্টি, কিংবা মনে মনে চর্চা করা সামান্য গিবত। মনে হয়, এসব তো কবিরা গুনাহ নয়, তাহলে ক্ষতি কী?
ইমাম আবু হানিফার আসল নাম নু’মান ইবনে সাবিত—এ বিষয়ে নির্ভরযোগ্য ইতিহাসে নানা আলোচনা রয়েছে। তাঁর উপনাম ‘আবু হানিফা’ নিয়েও কুফার ভাষায় লিখনের দোয়াত ‘হানিফা’ বলে উল্লেখ করা হয়।
ইংরেজি নামের বানানে মিল থাকায় ইবনে আল-হাইসামের সঙ্গে অনেকেই আল–খাজিনিকে গুলিয়ে ফেলেন। তাঁর বহু আবিষ্কার পরবর্তী ইউরোপীয় বিজ্ঞানীদের নামে চালিয়ে দেওয়া হয়েছে।
নবীজির পারিবারিক জীবন ছিল অত্যন্ত বাস্তবমুখী, প্রাণবন্ত ও ভালোবাসায় ঘেরা। তাঁর ঘর কোনো যান্ত্রিক বা আবেগহীন স্থান ছিল না; বরং তা ছিল মানবিক অনুভূতির এক জীবন্ত কেন্দ্র।
জীবনের প্রতিটি ঘটনা কি আগে থেকেই নির্ধারিত, নাকি কাজের ক্ষেত্রে আমাদের স্বাধীনতা আছে? যদি নির্ধারিত থাকে, তবে ভালো বা মন্দের জন্য মানুষকে কেন দায়ী হবে?