
ইসলামে ‘ইনসাফ’ বলতে কী বোঝায়
ওজনে কম দেওয়া বা মানুষকে ঠকানো ইসলামের দৃষ্টিতে বড় অপরাধ। যারা ওজনে কম দেয়, তাদের জন্য ‘ওয়াইল’ বা ধ্বংসের দুঃসংবাদ দেওয়া হয়েছে।

ওজনে কম দেওয়া বা মানুষকে ঠকানো ইসলামের দৃষ্টিতে বড় অপরাধ। যারা ওজনে কম দেয়, তাদের জন্য ‘ওয়াইল’ বা ধ্বংসের দুঃসংবাদ দেওয়া হয়েছে।

অসুস্থতার কারণে আত্মীয়-স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশী সবাই তাঁকে ত্যাগ করে চলে যায়। এমনকি তাঁকে জনবসতি থেকে দূরে এক নির্জন স্থানে ফেলে আসা হয়।

অনেকেই মনে করেন, মুত্তাকি মানেই এমন ব্যক্তি যার কখনো কোনো গুনাহ হয় না; অথচ কোরআনের শিক্ষা হলো, মুত্তাকি মানেই নিষ্পাপ মানুষ নয়।

সুরা কাহাফের তিনটি ভিন্ন প্রেক্ষাপট—আসহাবে কাহাফের তরুণ দল, নবী মুসার জ্ঞানের সফর এবং জুলকারনাইনের বিশ্বাভিযান—আমাদের সামনে নেতৃত্বের তিনটি অনন্য মডেল পেশ করে।

যদিও হজ কবুল হওয়া বা না হওয়া সম্পূর্ণভাবে আল্লাহ-তাআলার এখতিয়ারভুক্ত, তবে যদি কবুল হয়, তবে বাহ্যিকভাবে জীবনে ইতিবাচক কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায়।

আল্লাহর হুকুমের সামনে ব্যক্তিগত ইচ্ছা, আবেগ ও যুক্তি গৌণ। ইবাদতের পেছনের সব রহস্য মানুষের বোধগম্য না হলেও মুমিন তা পালন করেন আল্লাহর আদেশ হিসেবে।

সম্প্রতি কোরবানির এই মহান ইবাদতের সঙ্গে নতুন একটি ব্যাপার যুক্ত হয়েছে—সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ আলোচিত হতে দেখা গেছে কোরবানির পশুর বিভিন্ন নাম।

পশুর দাম, জাত, কিংবা ওজনের বড়াই করে ভিউ বা ‘লাইক-শেয়ার’ পাওয়ার এই মানসিকতা আমাদের নিয়তকে কতটুকু কলুষিত করছে, তা ভাবার সময় এসেছে।

দেড় হাজার বছর আগে বিদায় হজে মানবাধিকারের যে সনদ মহানবী (সা.) ঘোষণা করেছিলেন, তা আধুনিক সময়ের যে-কোনো মতাবাদের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও কার্যকর।

হাটে পশুকে নির্মমভাবে পেটানো, ট্রাকে গাদাগাদি করে আনা, কিংবা জবাইয়ের সময় অপ্রয়োজনীয় কষ্ট দেওয়া—আমাদের প্রতিদিনের চিত্রে পরিণত হয়েছে।

পরিবেশ দূষণ বর্তমানে বৈশ্বিক অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রকৃতি ও প্রাণিজগৎ নিয়ে মানুষের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ আমাদের এই পৃথিবীকে বসবাসের অযোগ্য করে তুলছে।

যিনি তাৎক্ষণিক বা জরুরি ঋণে জর্জরিত এবং পাওনাদার টাকা চাচ্ছে, তার জন্য কোরবানির টাকা জমিয়ে না রেখে আগে ঋণ শোধ করা ফরজ। ঋণ পরিশোধে গড়িমসি করাকে জুলুম।