প্রাণীর অধিকার রক্ষায় ইসলামের ১০ নীতি
প্রাণীর মালিকের ওপর আবশ্যিক কর্তব্য হলো তাকে খাবার দেওয়া, চারণভূমিতে নেওয়া এবং পানি পান করানো। কারণ প্রতিটি প্রাণীর জীবনের পবিত্রতা ও মূল্য আছে।
প্রাণীর মালিকের ওপর আবশ্যিক কর্তব্য হলো তাকে খাবার দেওয়া, চারণভূমিতে নেওয়া এবং পানি পান করানো। কারণ প্রতিটি প্রাণীর জীবনের পবিত্রতা ও মূল্য আছে।
ইসলামে নিরাপত্তা বা আমানকে অমূল্য নেয়ামত হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। এই নিরাপদ জীবন যাপনের জন্য পাঁচটি মূল নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ন্যায়বিচার ও ঐক্যের মাধ্যমে এই নেয়ামত সংরক্ষণ সম্ভব।
সচেতন মুসলিমের দায়িত্ব হলো সে যেন এই সাংস্কৃতিক স্রোতে অন্ধভাবে গা ভাসিয়ে না দিয়ে বরং সৃজনশীলতা ও তাকওয়ার ভারসাম্যে নিজের ডিজিটাল পদচিহ্নকে সুন্দর করে তোলে।
তিনি নিজেও বাজার পর্যবেক্ষণে বের হতেন। পাগড়ি মাথায়, লাঠি বা চাবুক হাতে তিনি মদিনার বাজারে বাজারে হাঁটতেন এবং অপরাধী দেখলে শাস্তি দিতেন।
মৌলিক পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি তুলে ধরা হলো; যা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হলে বৈষম্য হ্রাস পাবে, সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত হবে এবং সমাজে শান্তি ফিরে আসবে।
সকাল থেকে শুরু করে সন্ধ্যা পর্যন্ত কিছু বিশেষ সুন্নত ও আমলের মাধ্যমে এই দিনকে ইবাদতে পূর্ণ করে তোলা সম্ভব। জুমার দিনের ১০টি বিশেষ করণীয় আলোচনা করা হলো।
পরিবর্তনের জন্য প্রথম পদক্ষেপ নিতে হবে, এমনটাই জানাচ্ছে পবিত্র কোরআন। আল্লাহর নির্দেশনা অনুযায়ী, নিজের অবস্থার পরিবর্তন না করলে জাতির পরিবর্তন সম্ভব নয়।
মানবিক প্রবণতা হলো, অন্যের জীবনে কোনো বিশেষ নেয়ামত বা সাফল্য দেখলে মানুষের মনে দুটি প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়—পরশ্রীকাতরতা, অথবা আক্ষেপ ও হতাশা।
এই মাদ্রাসারই শ্রেষ্ঠ ফসল আবু হোরাইরা (রা.), যিনি সর্বোচ্চ হাদিস বর্ণনাকারী। অন্যদিকে কেয়ামত–পূর্ব সময়ের হাদিস সংরক্ষণে প্রসিদ্ধি পান হোজাইফা (রা.)।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সৌজন্যে অন্যের হাসিখুশি মুখ আর কৃত্রিম সুখের ছবিটাই বেশি দেখি। অথচ একটু আগেই হয়তো সে কারও সঙ্গে রাগারাগি করেছে বা একা বসে কান্না করেছে।
বিপদ–মুসিবত এলে, যখন বাহ্যিকভাবে মুক্তির কোনো উপায় চোখে পড়ে না। তখন স্বাভাবিকভাবেই আমাদের মনে প্রশ্ন জাগে, আল্লাহ কি আমার ওপর অসন্তুষ্ট?
যেখানে ধর্মীয় জ্ঞানের অভাব, সেখানে অজ্ঞতা, কুসংস্কার এবং নানা ভ্রষ্টতা বাসা বাঁধে। ফলে মানুষ ইহকাল ও পরকাল—উভয় জগৎই চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।