মনের কষ্ট কাকে বলবেন
তিনি তো বান্দার জন্য এমন এক আশ্রয়দাতা, যাঁর কাছে শতবার কাঁদলেও তিনি বিরক্ত হন না। বরং তিনি তো সেই রব, যিনি না চাইলে অসন্তুষ্ট হন।
তিনি তো বান্দার জন্য এমন এক আশ্রয়দাতা, যাঁর কাছে শতবার কাঁদলেও তিনি বিরক্ত হন না। বরং তিনি তো সেই রব, যিনি না চাইলে অসন্তুষ্ট হন।
কখনো এমন পরিস্থিতি আসে যখন মানুষের সাধ্যে কিছুই থাকে না—তখন দোয়া-ই হয় আমাদের বড় আশ্রয়। আল্লাহর কাছে কাকুতি-মিনতি করা ছাড়া উপায় থাকে না।
বিপদ–মুসিবত এলে, যখন বাহ্যিকভাবে মুক্তির কোনো উপায় চোখে পড়ে না। তখন স্বাভাবিকভাবেই আমাদের মনে প্রশ্ন জাগে, আল্লাহ কি আমার ওপর অসন্তুষ্ট?
মহান আল্লাহ–তাআলা মানুষ সৃষ্টি করার আগেই তার রিজিকের ব্যবস্থা করেছেন—এ আলোকে নবজাতকের মাতৃদুগ্ধ পানের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
যারা আন্তরিকভাবে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করে, তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী জীবন গড়তে চায়, আল্লাহ তাদের বঞ্চিত করেন না, বরং হেদায়েতের পথ সহজ করে দেন।
জিলহজের প্রথম দশকের বিশেষ ফজিলত রয়েছে। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে জিলহজের প্রথম ১০ রাতের কসম করে এই দশকের গুরুত্ব মহিমান্বিত করেছেন,
ইসলামি স্কলারদের মতে, জ্ঞান হলো একটি নুর, যা আল্লাহ কেবল পবিত্র হৃদয়েই দান করেন। পাপের অন্ধকার হৃদয়ে প্রবেশ করলে জ্ঞানের আলো নিভে যায়।
ইহলোকে জন্ম ও জীবন, মৃত্যু ও পরকাল—সবই আল্লাহর আনুগত্যের পরীক্ষার অংশ; কোরআনের আলোকে ইবাদত, তাকওয়া, ইমান ও ইখলাসের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। লেখক: অধ্যক্ষ মুফতি মাওলানা শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী
আমরা তথ্য ও জ্ঞানকে এক করে ফেলছি। ইসলামে জ্ঞান অর্জন শুধু মস্তিষ্ককে তথ্যে সমৃদ্ধ করার বিষয় নয়; বরং তা আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের প্রধানতম আত্মিক মাধ্যম।
পরিবর্তনের জন্য প্রথম পদক্ষেপ নিতে হবে, এমনটাই জানাচ্ছে পবিত্র কোরআন। আল্লাহর নির্দেশনা অনুযায়ী, নিজের অবস্থার পরিবর্তন না করলে জাতির পরিবর্তন সম্ভব নয়।
কখনো না বুঝে, কখনো অসচেতনতায়, আবার কখনো মনস্তাত্ত্বিক প্ররোচনায় আমরা এমন কিছু করে ফেলি, যার জন্য পরবর্তী সময় গভীর অনুশোচনা জাগে।
জীবন আল্লাহর দান—এই উপলব্ধি থেকে সমাজ পরিবর্তনে তরুণ ও যুবসমাজের দায়িত্ব, যৌবনের মর্যাদা এবং কিয়ামতে জবাবদিহির প্রসঙ্গ তুলে ধরেছে মতামতধর্মী লেখা।