রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক আলোচনা
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিনক্ষণ নির্ধারণে জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামালের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা করেছে নির্বাচন কমিশন।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিনক্ষণ নির্ধারণে জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামালের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা করেছে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন ঘিরে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা সীমিত হচ্ছে
হাবিবুর রশিদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া।
এই সংসদীয় আসনে এবার প্রার্থী ১১ জন। তাঁদের মধ্যে দুজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন।
আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়।
নির্বাচন কমিশনকে হুঁশিয়ারি করে দিয়ে সারজিস আলম বলেন, ‘বিন্দুমাত্র কোনো ধরনের নীলনকশা কেউ যদি করে, সর্বশেষ প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পরিণতি যেন তারা মনে রাখে।’
বৈঠকে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্যভাবে অনুষ্ঠানের বিভিন্ন দিকসহ উভয় দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জের তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে মোট ৩৮ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন।
নির্বাচনের পরে আমলাতন্ত্র তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ করে সংস্কারের প্রক্রিয়া থামিয়ে দিতে পারে।
ভোট দিতে চান অধিকাংশ ভোটার। ১০ আসন শরিকদের ছেড়ে দিয়েছে জামায়াত, একটি উন্মুক্ত। অর্থাৎ ৮ আসনে জামায়াতের দলীয় প্রার্থী রয়েছে।
অন্তত ৫০টি পেজ থেকে বিএনপির পক্ষে প্রচারে ব্যয় করা হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে প্রচারে ব্যয় করেছে অন্তত ৩৩টি পেজ।
শেষ পর্যন্ত জাতীয় পার্টি ভোটে থাকবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে জি এম কাদের বলেন, ‘এটা অবস্থার ওপর নির্ভর করবে।’