ইরানে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ভবনে বিক্ষোভকারীদের আগুন
ইরানে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ভবনে বিক্ষোভকারীদের আগুন
ইরানে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ভবনে বিক্ষোভকারীদের আগুন
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ শুরু করে ‘ক্যু’ অভ্যুত্থানের চেষ্টা করছেন বলে মনে করা হচ্ছে। লেখায় পাঁচটি সম্ভাব্য কৌশল বিশ্লেষণ করা হয়েছে—যুদ্ধকে কাজে লাগিয়ে ক্ষমতা ধরে রাখার পথ। আমেরিকান জনগণের সতর্কতাই এর বড় বাধা।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির পর্দার আড়ালে ট্রাম্প প্রশাসন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের ওপর চাপ দিয়েছিল। ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে জানা গেছে, জ্বালানি দাম বাড়া এবং ইরানের প্রতিরোধ ট্রাম্পকে উদ্বিগ্ন করেছিল। পাকিস্তান মধ্যস্থতায় শান্তি আলোচনা চলছে যদিও বাধা রয়ে গেছে।
হরমুজ প্রণালি অচল হয়ে পড়ায় চরম অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মুখে পারস্য উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলো।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় উত্তপ্ত ইরানে শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার মুখে। এই ব্যর্থতার দায় প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের ওপর চাপিয়ে তাকে বলির পাঁঠা বানানোর চেষ্টা চলছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সৌদি যুবরাজ কেন ওয়াশিংটন থেকে মুখ ফেরাচ্ছেন
বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন হামলার জেরে ইরানে আবারও হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
লেবাননের বিশ্লেষক সারকিস নাওম বলেন, ‘এটি একটি মহা সমঝোতা, যেখান থেকে ফেরার পথ নেই।
ইসরায়েলের সব রাজনৈতিক দল ও মতাদর্শের নেতারা একযোগে এই চুক্তির তীব্র নিন্দা ও সমালোচনা করেছেন। তাঁদের মতে, চুক্তিটি পুরোপুরি ইসরায়েলের স্বার্থের পরিপন্থী।
যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারকের খসড়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
হামলার পর পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালির উপকূল এলাকায় বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
নেতানিয়াহু ট্রাম্পের অনুরোধে ইরানে হামলা স্থগিত করেন কূটনৈতিক সমঝোতার সুযোগের জন্য।