ইরান যুদ্ধ: ব্রিটিশ অর্থনীতির ঝুঁকি মোকাবিলায় যুক্তরাজ্যে আজ জরুরি বৈঠক
বৈঠকে ব্রিটেনের সাধারণ পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ওপর ইরান যুদ্ধের সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাবসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হবে।
বৈঠকে ব্রিটেনের সাধারণ পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ওপর ইরান যুদ্ধের সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাবসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হবে।
ঘরে ডাকাত পড়লে করণীয় কী হতে পারে? হ্যাঁ, সহজ এই প্রশ্নের খুব সহজ উত্তর দিয়েছেন ইরানের নারী ফুটবল দলের চার খেলোয়াড়।
ইরান সংঘাত দীর্ঘমেয়াদি অচলাবস্থা তৈরি করেছে। যুদ্ধ সমাধানহীন থাকায় অর্থনৈতিক চাপ বাড়বে।
বর্তমানে বিশ্ব অর্থনীতিতে যে অস্থিরতা শুরু হয়েছে, সেটা ইরান যুদ্ধ নিয়ে যে কোনো পূর্বাভাসেই বলা হয়েছিল।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ (শান্তি পর্ষদ) যুগের প্রথম যুদ্ধ শুরু হলো। কোনো ধরনের উসকানি ছাড়াই ইসরায়েলের সঙ্গে মিলে ইরানের শাসক পরিবর্তনের চেষ্টা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
গত ২৫ বছরে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র যত সামরিক ব্যর্থতার মুখোমুখি হয়েছে, তার মধ্যে ইরান যুদ্ধ সম্ভবত সবচেয়ে বেশি তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের এই যুদ্ধ আফগানিস্তান, ইরাক, ইয়েমেন, লিবিয়া কিংবা সিরিয়ায় চালানো সামরিক হস্তক্ষেপের মতো ছিল না। ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান শুধু আরেকটি মার্কিন সরকার পরিবর্তনের প্রচেষ্টা থেকে টিকে যায়নি; যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের এই যুদ্ধ কখনোই কেবল একটি সরকারের ভাগ্য নির্ধারণের লড়াই ছিল না।
গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিকে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে আগ্রাসন শুরু করে, তখন চীনের শীর্ষ নেতারা বন্ধুভাবাপন্ন আরেকটি দেশের সরকার পতনের আশঙ্কা করছিলেন।
ইসলামাবাদে তুরস্ক, সৌদি আরব, মিসর ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ থামানোর জন্য আলোচনা করছেন। হরমুজ প্রণালী খোলা এবং সরাসরি সংলাপের পথ তৈরির উপর জোর দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তান ইরানের সঙ্গে ফোনালাপ করে উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করছে।
পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ একটি প্রস্তাব পাস করেছে।
ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের প্রভাবে উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি, পর্যটন ও আর্থিক খাতে বড় ধাক্কা লেগেছে। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে কাতার ও কুয়েত।
যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে বিশ্বনেতারা স্বস্তি পেলেও ট্রাম্পের খামখেয়ালি আচরণে আস্থা হারিয়েছেন। এ যুদ্ধ বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি সংকট সৃষ্টি করেছে। নেতারা কূটনীতির মাধ্যমে স্থায়ী শান্তি চাইছেন।
প্রায় সব ইসরায়েলি আবারও এটা বিশ্বাস করছে যে এই যুদ্ধের মতো আর কোনো ন্যায়সংগত যুদ্ধ নেই, এটার মতো সফল যুদ্ধও হয়নি।