এশিয়ার বাজারে কমেছে তেলের দাম, শেয়ার সূচকের উত্থান
এর আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, সম্ভাব্য চুক্তির অংশ হিসেবে হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়া হবে। যদিও এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।
এর আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, সম্ভাব্য চুক্তির অংশ হিসেবে হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়া হবে। যদিও এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।
পিপিআরসি চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, সরকার উত্তরাধিকারের সংকট, জ্বালানি অস্থিরতা এবং জনপ্রত্যাশা পূরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে।
ভারতে পেট্রল ও ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে ৯০ পয়সা করে বেড়েছে।
সুইমিংপুলের মতো চৌবাচ্চা বানিয়ে সেখানে জমা করা হয়েছিল জেট ফুয়েল। পাশে সারি সারি ড্রাম। কিছু ড্রামে ডিজেল, কিছু ড্রামে অকটেন।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানা গেছে, ইরানের হামলার জবাবে সৌদি আরব গোপনে ইরান ভূখণ্ডে সামরিক অভিযান চালিয়েছে। এটি আগে অজানা ছিল। উত্তেজনা কমাতে দুই দেশ পারস্পরিক বোঝাপড়ায় পৌঁছায়।
মিরপুরের সনি সিনেমা হলের সামনে টিসিবির ট্রাকের লাইনে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন নাতি সাইফুলকে শিকলে বেঁধে দাঁড়িয়েছিলেন সালেহা বেগম। তিন ঘণ্টা অপেক্ষার পর তেলসহ পণ্য কিনতে পারেন নিরুপায় নানি। নিম্ন আয়ের পরিবারের এই দুঃস্থিতির ছবি তুলে ধরেছেন প্রতিবেদক।
ইরান যুদ্ধবিরতির সর্বশেষ প্রস্তাবে যুক্তরাষ্ট্রকে ন্যায়সঙ্গত শর্ত দিয়েছে বলে দাবি করে তেহরান। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এটি ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। এর ফলে জ্বালানির দাম বেড়েছে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ছে।
ইরান যুদ্ধে শান্তি আলোচনার অনিশ্চয়তায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুড প্রতি ব্যারেল ১০৪.৫০ ডলারে পৌঁছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা স্থবির হওয়ায় হরমুজ প্রণালির উদ্বেগ বেড়েছে।
সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে দ্বন্দ্ব আদর্শ ও মধ্যপ্রাচ্যকে কেন্দ্র করে তীব্রতর হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ থামার আভাসে জেট ফুয়েলের দাম কমেছে প্রতি লিটারে ২১ টাকা ৬৩ পয়সা। বিইআরসি নতুন দর ঘোষণা করেছে, যা দিবাগত রাত ১২টা থেকে কার্যকর। অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য দাম এখন ২০৫ টাকা ৪৫ পয়সা।
ডি-ডলারাইজেশন যতটা না ছিল বাস্তবতা, তার চেয়ে বেশি অভিপ্রায় বা আকাঙ্ক্ষার বিষয়। কিন্তু গত দুই মাসের ঘটনাপ্রবাহে সেই ভারসাম্য অনেকটা বদলে গেছে, এমনটাই মনে হচ্ছে।
আজকের লড়াইটা কেবল সম্পদের নয়, প্রবাহের ওপর নিয়ন্ত্রণের। আর এই লড়াইকেই বলা যায় ‘রুট–যুদ্ধ’। এই যুদ্ধের কোনো দৃশ্যমান যুদ্ধক্ষেত্র নেই। কিন্তু প্রতিটি চুক্তি, প্রতিটি পাইপলাইন প্রকল্প, প্রতিটি রুট পরিবর্তনের মধ্যে লুকিয়ে থাকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা। এখানে রাষ্ট্রগুলো এমনভাবে জ্বালানি করিডর তৈরি করতে চায়, যাতে তাদের প্রভাব বাড়ে, প্রতিপক্ষের বিকল্প কমে এবং ভবিষ্যতের বাজার তাদের নিয়ন্ত্রণে আসে।