
‘তোমরা দ্রুত হজ আদায় করো’
যাঁদের আর্থিক ও শারীরিক সামর্থ্য রয়েছে, তাঁদের জন্য হজ আদায়ে গড়িমসি করা গুনাহের কারণ হতে পারে। বার্ধক্য কিংবা অসুস্থতা আসার আগেই হজ করা উচিত।

যাঁদের আর্থিক ও শারীরিক সামর্থ্য রয়েছে, তাঁদের জন্য হজ আদায়ে গড়িমসি করা গুনাহের কারণ হতে পারে। বার্ধক্য কিংবা অসুস্থতা আসার আগেই হজ করা উচিত।

এখন জিলকদ মাস চলছে। মহানবী (সা.) হিজরতের পর মোট চারবার ওমরাহ পালন করেছেন। বিভিন্ন হাদিসে দেখা যায়, তাঁর প্রতিটি ওমরাহ জিলকদ মাসেই সম্পন্ন হয়েছে।

কোরআন ও হাদিস আমাদের শেখায়, মন যখন অসুস্থ হয়ে পড়ে, তখন কিছু আমল তাকে জীবন্ত করে, দুশ্চিন্তা দূর করে এবং বান্দাকে আল্লাহর দিকে ফিরিয়ে আনে।

ইসলামি রাষ্ট্রে চুক্তিবদ্ধ অমুসলিমদের জান-মালের নিরাপত্তা মুসলিমের মতোই সমান এবং অলঙ্ঘনীয় বলে ফকিহরা একমত। কুরআন, হাদিস ও খলিফাদের ইতিহাস থেকে এই অধিকারগুলোর সাক্ষ্য পাওয়া যায়। ধর্মীয় স্বাধীনতা ও ভরণপোষণের দায়িত্বও রাষ্ট্রের ওপর।

কোরআন ও হাদিসে বর্ণিত নামাজের গুরুত্ব এবং এর মাধ্যমে পাপ ও মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকার প্রক্রিয়া তুলে ধরা হয়েছে। নবীজি (সা.)-এর উদাহরণসহ নামাজের প্রভাব ও খুশু-খুজুরের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। সঠিকভাবে আদায় করা নামাজ জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে।

মহানবী (সা.) অধীনস্থ শ্রমিক, খাদেম ও কর্মচারীদের প্রতি দয়া, সম্মান ও ন্যায়বিচারের আচরণ করতেন। সাহাবি আনাস (রা.)-এর বর্ণনায় তাঁর সেবার অভিজ্ঞতা এবং বিভিন্ন হাদিসে অধীনদের অধিকার ও দায়িত্বের কথা উল্লেখ আছে। এ শিক্ষা ইমানের অংশ।

মহানবী (সা.)-এর যুগের সাহাবীদের বিভিন্ন পেশা থেকে ইসলামী কর্মসংস্কৃতির আদর্শ উদ্ভাসিত হয়। কুরআন ও হাদিসের আলোকে পেশাগত নৈতিকতা ও প্রযুক্তিযুগে ভারসাম্যের পথ দেখানো হয়েছে। দারিদ্র্য নিরসনে সভ্যতা-নির্মাণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।

ইসলামে সময়কে ঘড়ির কাঁটায় নয়, আমলের ওজনে মাপা হয়। নিয়তের ইখলাসে প্রতি মুহূর্ত ভারী হয়। নামাজ, রোজা, হজের মাধ্যমে জীবনের ওজন বাড়ানোর পথ দেখানো হয়েছে কুরআন-হাদিসে।

ধৈর্য মানে আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা। ছয়টি ধাপে আবেগ লিখে পর্যবেক্ষণ করে মানসিক স্থিরতা অর্জন করা যায়। হাদিস ও কুরআনের আলোকে এই সহজ কৌশল জীবনে প্রয়োগ করুন।

সমাজে প্রচলিত এক দোয়ায় ‘তকদির পরিবর্তন হয় না’ বলা হয়, কিন্তু হাদিস ও কোরআন দেখায় দোয়াই তকদির পরিবর্তন করে। ইবনে তাইমিয়া (রহ.) উদাহরণ দিয়ে ব্যাখ্যা করেছেন, খাওয়া ছাড়া পেট ভরে না, তেমনি দোয়া ছাড়া বিপদ কাটে না। নবীদের ঘটনা এর প্রমাণ।

অজুর শুরুতে বিসমিল্লাহ বলা কি ওয়াজিব নাকি সুন্নত—এই বিষয়ে ফকিহদের মধ্যে দীর্ঘদিনের মতভেদ রয়েছে। কোরআন, হাদিস ও ফিকহের নীতির ভিত্তিতে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতে এটি সুন্নত, তবে পূর্ণতার জন্য জরুরি। অজু তবু বৈধ হয়।

হজ ইসলামের পঞ্চম স্তম্ভ এবং কবুল হজের পুরস্কার জান্নাত। কোরআন ও হাদিসের আলোকে হজ মাবরুরের গুরুত্ব এবং কবুল হওয়ার শর্তগুলো তুলে ধরা হয়েছে। সঠিক নিয়ত ও শিক্ষা গ্রহণ করলে হজ জীবন পরিবর্তন করে।