
তানিয়া রবের সম্পদ স্বামীর চেয়ে সাড়ে আট গুণ বেশি, আয় তিন গুণ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনে প্রার্থী হয়েছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি তানিয়া রব।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনে প্রার্থী হয়েছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি তানিয়া রব।

জামায়াতের ওই প্রার্থীর নাম ইসহাক খন্দকার। তিনি জেলা জামায়াতের আমির। এ নির্বাচনে তিনি নোয়াখালী-৪ আসনের প্রার্থী হয়েছেন। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

সিলেটে জামায়াতের চেয়ে বিএনপির প্রার্থীরা বেশি সম্পদশালী। স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ—সব দিক দিয়েই তাঁরা তুলনামূলকভাবে এগিয়ে আছেন।

এইবারের নির্বাচনের মনোনয়নের সঙ্গে দেওয়া হলফনামা দেখে যা বুঝেছি, পুরোনো রাজনীতিবিদদের হলফনামা খুব বোরিং। বিএনপির আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী কিংবা এলডিপির কর্নেল অলি আহমদ অনেকবার নির্বাচন করেছেন। তাঁদের সেই একই হলফনামা। তবে এখন যাঁরা নতুন বা তরুণ নেতা, তাঁদের হলফনামায় চমক আছে।

হলফনামা পর্যালোচনায় দেখা গেছে, নোয়াখালীর ছয়টি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা কোটিপতি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থ ও সম্পদের মালিক নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ ও কবিরহাট) আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বান্দরবানে প্রার্থী হয়েছেন পাঁচজন। তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয় ও সম্পদ রয়েছে জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ আবুল কালামের। সম্পদশালীর তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন এনসিপি প্রার্থী। তাঁরা দুজনই প্রথমবারের মতো নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন। একই আসনে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়া সাচিংপ্রু জেরী ২০১৮ সালেও প্রার্থী হয়েছিলেন। তাঁর আয় ওই সময়ের তুলনায় দেড় গুণ এবং সম্পদ প্রায় পাঁচ গুণ বেড়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।

স্থাবর সম্পদে এগিয়ে আছেন কুমিল্লা-৯ আসনের মো. আবুল কালাম। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ৬৫ কোটি টাকা। এরপরই আছেন কুমিল্লা-৭ আসনের রেদোয়ান আহমেদ।

হিসাব করে দেখা গেছে, সুনামগঞ্জের প্রার্থীরা নির্বাচনে ব্যয় করবেন ৮ কোটি ৪৩ লাখ ২৬ হাজার ৪২৭ টাকা।

হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, ১৪ প্রার্থীর মধ্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি আছে আটজনের। স্নাতক বা এর সমমানের ডিগ্রি আছে পাঁচজনের। একজনের শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি।

একরামুজ্জামান নির্ভরশীল ব্যক্তিসহ ১২টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ২ হাজার ৯৩৪ কোটি ৯৯ লাখ ৫৩ হাজার টাকার ঋণ রয়েছে।

মাসুম মোস্তফার বিরুদ্ধে বর্তমানে দুটি বিস্ফোরক ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা চলমান। এর মধ্যে হলফনামায় একটি মামলার তথ্য গোপন করা হয়েছে।

আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামান ভূঁইয়ার (ফুয়াদ) বছরে আয় ৭ লাখ ৪১ হাজার ৬০২ টাকা। এর মধ্যে তিন লাখ ২৬ হাজার টাকা টিভি টক শো, ইউটিউব ও ফেসবুক থেকে আয় করেছেন তিনি। হলফনামার তথ্য/