অল্প আয়ু, দীর্ঘ কীর্তি: রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের জীবন ও উত্তরাধিকার
রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ব্যক্তিত্বের সবচেয়ে উজ্জ্বল দিক ছিল তাঁর সততা—তিনি বিশ্বাস করতেন, ‘সততা ছাড়া দেশপ্রেম মূল্যহীন।’
রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ব্যক্তিত্বের সবচেয়ে উজ্জ্বল দিক ছিল তাঁর সততা—তিনি বিশ্বাস করতেন, ‘সততা ছাড়া দেশপ্রেম মূল্যহীন।’
২০২৪ সালের ৩০ জুলাই ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন হাসান আবিদুর রেজা জুয়েল। তাঁর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ভক্ত–অনুরাগীদের স্মৃতিচারণা ও গানপ্রেম আবারও আলোচনায় এসেছে।
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক জনগণের গণতান্ত্রিক সমাজের স্বপ্ন দেখতেন। তিনি ছিলেন আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে।
রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ক্র্যাব মিলনায়তনে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী সদস্য আবু হেনা রাসেলের স্মরণে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আল্লাহর জিকিরের মাধ্যমে তাঁর সঙ্গে অদৃশ্য সম্পর্ক তৈরি করে। তাঁর সান্নিধ্য লাভের পথ সুগম হয় এবং মানুষ সরল ও সঠিক পথে অবিচল থাকার শক্তি অর্জন করতে পারে।
হুমায়ূনের লেখাতেই প্রথমবারের মতো স্বতঃস্ফূর্তভাবে ফুটে উঠেছে পূর্ব বাংলার নিজস্ব ভাষাভঙ্গি ও কালচার। আধুনিক বাংলা সাহিত্য তৈরি হয়েছে কলকাতার বর্ণহিন্দুদের হাতে। ভাগীরথীতীরের ভাষাটি নগরকেন্দ্রিক বর্ণহিন্দুদের মুখের ভাষা। এই ভাষার পরিশীলিত ও প্রমিত রূপ গত দেড় শ বছর আধুনিক বাংলা গদ্যের বাহনরূপে চর্চিত। পূর্ব বাংলার মানুষ এই ঘটি বাংলাকে কখনো আত্মস্থ করতে সক্ষম হয়নি।
মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে দিয়াবাড়ি ক্যাম্পাসসহ ১৬টি শাখায় দোয়া ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘স্মরণে জুলাই-ছাত্রদল ও অন্যান্য’ শীর্ষক আলোচনা সভা করেছে ছাত্রদল।
শহীদ ফারহান ফাইয়াজের স্মরণসভায় তাঁর বাবা শহীদুল ইসলাম অভিযোগ করেছেন যে, জুলাই মাস এলেই তাঁদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ডাকা হয়, কিন্তু বছরের অন্য সময়ে কেউ খোঁজ রাখেন না।
রাজধানীর ডেইলি স্টার সেন্টারে অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় বক্তারা অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হককে একজন প্রকৃত বাংলাদেশপন্থী মানুষ হিসেবে অভিহিত করেন।
বিটিভির সাবেক মহাপরিচালক ম হামিদ স্মরণসভায় স্মৃতিচারণা করে বলেন, সত্তরের দশকে তিনি বিসিএস ক্যাডার সার্ভিসে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন।
সংসারে কী রান্না হবে, কে কী খাবেন—সব বুঝিয়ে দিয়েই প্রতিদিন ছুটতেন শুটিং সেটে। তাঁর কাছে পরিবার আগে গুরুত্বপূর্ণ, তারপর কাজ। এ কারণে পরিবারের সদস্যরা সব সময়ই শর্মিলী আহমেদকে অভিনয়ে সহযোগিতা করেছেন