
নির্বাচনী রাজনীতিতে ফেরার পথ খুঁজছে আওয়ামী লীগ
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিয়ে ধীরে ধীরে নির্বাচনী রাজনীতিতে ফিরে আসার চিন্তা করছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিয়ে ধীরে ধীরে নির্বাচনী রাজনীতিতে ফিরে আসার চিন্তা করছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ।

বিএনপি ক্ষমতায় এসে সিটি করপোরেশনে প্রশাসক বসালেও এনসিপি পাঁচটি সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করেছে। দলটি প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া এবং জনসংযোগের জন্য এগিয়ে এসেছে। বাকি সিটি ও স্থানীয় নির্বাচনেও আগাম প্রার্থী ঘোষণার ইঙ্গিত দিয়েছে।

ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার ও পলিটিক্যাল ফার্স্ট সেক্রেটারি সেবাস্টিন রিগার ব্রাউন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। গণতন্ত্র, সংস্কার, গণভোট বাস্তবায়ন ও স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়। উভয় পক্ষ সম্পর্ক জোরদারের আশা প্রকাশ করেন।

মন্ত্রী জানান, যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচনের মাধ্যমে সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে সচল করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

সিটি করপোরেশনের নির্বাচন পর্যন্ত রাজনৈতিক প্রশাসকেরা দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচনের পর তাঁরা মেয়রের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন।

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর মেয়র ও চেয়ারম্যান পদে এত দিন দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হতো। নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশন ও স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের বিধান বাতিল করার সুপারিশ করেছিল।

প্রশাসক দিয়ে উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে সিটি করপোরেশনগুলোতে নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে আইপিডি।

স্থানীয় নির্বাচনকে মাঠপর্যায়ে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমে গতি আনার সুযোগ হিসেবেও দেখছে বিএনপি।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, সঠিক সময়ে সরকারি নিয়ম মেনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশের ইউনিয়ন নেতৃত্বকে দায়িত্বশীল ও মানবিক করার জন্য একটি বাস্তবসম্মত রোডম্যাপ। মানুষের সঙ্গে সংযোগ, স্বচ্ছতা, শিক্ষা, নৈতিকতা ও টেকসই উন্নয়নের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এই নির্দেশনা গুরুত্বপূর্ণ।

সভা, সেমিনারের ধারা থেকে বেরিয়ে ঈদুল আজহার পর থেকে মাঠপর্যায়ে বেশি সক্রিয় হওয়ার পরিকল্পনা করছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

পূর্ব লন্ডনের নির্বাচনে জয়ী হতে পারেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দুই মেয়র প্রার্থী।