আ.লীগের নতুন কৌশল: ফিরতে চায় স্থানীয় ভোটে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ স্থানীয় সরকার ও পেশাজীবী সংগঠন নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচনী রাজনীতিতে ফেরার নতুন কৌশল সাজাচ্ছে।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ স্থানীয় সরকার ও পেশাজীবী সংগঠন নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচনী রাজনীতিতে ফেরার নতুন কৌশল সাজাচ্ছে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নির্দলীয় ব্যবস্থা ফেরাতে আইন সংশোধনের উদ্যোগ।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন দিয়ে শুরু করার দাবি জানিয়েছেন জামায়াত নেতা সেলিম উদ্দিন। একইসঙ্গে তিনি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং সাবেক রাষ্ট্রপতির বিচার নিশ্চিত করে তাঁকে বিদেশ যেতে বাধা দেওয়ার আহ্বান জানান।
যুক্তরাজ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোট গ্রহণ চলছে, বিশেষ করে পূর্ব লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটস ও নিউহামে বাংলাদেশি কমিউনিটির ব্যাপক আগ্রহ। মেয়র পদে লুৎফুর রহমান ও ফরহাদ হোসেনের মতো বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থীরা প্রধান আলোচনায়। চার বরোতে তিন শতাধিক বাংলাদেশি প্রার্থী কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামী জানুয়ারির আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করা বাস্তবসম্মত হবে না বলে মনে করছে বিএনপি। শনিবার রাতে গুলশানে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এই আলোচনা হয়।
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৫টি স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনে ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে এবং ই-রিকশাকে জোনিং ও সৌরবিদ্যুৎ চালিত নিবন্ধনের আওতায় আনার পরিকল্পনা জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক বাতিলের পর স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ভোটার সইয়ের শর্ত তুলে জামানত বাড়ানোর চিন্তা করছে ইসি। ‘ডামি’ প্রার্থী রোধে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। আজ আইন সংস্কার কমিটির বৈঠকে বিষয়টি আলোচনা হবে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো সব স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও সেনা মোতায়েনের আইনি সুযোগ রাখতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সরকার গঠনের পর দেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নির্বাচন ঘোষণার প্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করার জরুরি প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে। সংবিধানের বাধ্যবাধকতা, সাবসিডিয়ারিটি নীতি ও তৃণমূল গণতন্ত্রের ভিত্তি গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে। দ্রুত নির্বাচন ও আইন সংস্কারের আহ্বান জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে দলের সব পর্যায়ের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও সক্রিয় ও জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি।
সিইসি নাসির উদ্দীন দলীয় প্রতীকবিহীন স্থানীয় নির্বাচনে সহিংসতা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি সমঝোতার আহ্বান জানিয়েছেন।