হজের সময় যুদ্ধ আবার শুরু না করার সতর্কবার্তার পর ইরানে হামলা পিছিয়ে দেন ট্রাম্প
ঈদুল আজহার আগে এই পবিত্র সময়ে ইরানে হামলা চালালে মুসলিম বিশ্বে ওয়াশিংটনের ভাবমূর্তি আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে ট্রাম্পকে সতর্ক করা হয়।
ঈদুল আজহার আগে এই পবিত্র সময়ে ইরানে হামলা চালালে মুসলিম বিশ্বে ওয়াশিংটনের ভাবমূর্তি আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে ট্রাম্পকে সতর্ক করা হয়।
ইরানে হামলা শুরু হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেলবাহী জাহাজগুলো হরমজু প্রণালি দিয়ে যেতে পারছে না। এর ফলে প্রতিদিন বৈশ্বিক সরবরাহ প্রায় দুই কোটি ব্যারেল কমে যাচ্ছে।
সৌদি আরব, মিসর, ওমান ও কাতার ইরানে সামরিক হামলার বিরোধিতা করছে। তারা বড় ধরনের আঞ্চলিক যুদ্ধের আশঙ্কা করছে।
ট্রাম্প বলেছেন, ‘ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশ আমাদের কাছে হামলা স্থগিত রাখার অনুরোধ করেছে।’ সম্ভাব্য চুক্তির ‘রূপরেখা’ এবং হরমুজ প্রণালি উন্মুক্তকরণসহ কয়েকটি বিষয় সামনে আনার কথা বলেছেন তিনি। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার হুমকিতে ইরানের পাল্টা কঠোর প্রতিক্রিয়ার দাবিও উঠে এসেছে প্রতিবেদনে।
গত মার্চে সৌদি আরব ও ইরাকে সিআইএ-র স্থাপনায় ইরানি ড্রোন হামলার পেছনে রাশিয়ার প্রযুক্তিগত সহায়তা বা তথ্য সরবরাহের বিষয়টি তদন্ত করছে মার্কিন গোয়েন্দারা।
লোহিত সাগরে হুতিদের হামলা থেকে তেলবাহী জাহাজ রক্ষা করতে একটি আন্তর্জাতিক জোট গঠনের চেষ্টা করছে সৌদি আরব।
লোহিত সাগর ও সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো ঘিরে সম্প্রতি নতুন হুমকি তৈরি হয়েছে।
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে মার্কিন ‘ই-৩জি সেন্ট্রি’ নজরদারি উড়োজাহাজ ধ্বংস হয়েছে। এর ধ্বংসাবশেষের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে, যা তুরস্কের আনাদলু এজেন্সি প্রকাশ করেছে। হামলায় ১২-১৫ মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন।
ইরানপন্থী গোষ্ঠীগুলো ইরাকের ভূমি থেকে উপসাগরীয় দেশগুলোর দিকে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে চলেছে। এতে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ ছয় আরব দেশ যৌথভাবে নিন্দা জানিয়েছে এবং ইরাক সরকারকে দায়ী করেছে। ফলে ইরাকের প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্কে ফাটল ধরছে।
মক্কা জোটের প্রতিরক্ষা চুক্তি, জাজান হামলা এবং বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্লেষণ।
সৌদি আরব ও উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর হামলা বন্ধ হওয়াই এখন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা শুরুর পূর্বশর্ত বলে মনে করছে পাকিস্তান, যা দেশটির মধ্যস্থতার প্রচেষ্টাকে আরও জটিল করে তুলেছে।
ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের দাবি, ইয়েমেনে রিয়াদের বিমান হামলার প্রতিশোধ হিসেবেই তারা সৌদি আরবের এই ‘সংবেদনশীল’ তেল অবকাঠামোয় আঘাত হেনেছে।