রাষ্ট্র সংস্কারের দায়িত্ব এড়িয়ে গেলে জনগণই জবাব দেবে: হাসনাত কাইয়ূম
১৬ জুলাইকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘শহীদ আবু সাঈদ দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন।
১৬ জুলাইকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘শহীদ আবু সাঈদ দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন।
সংস্কার পরিষদ গঠন ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সংসদ-রাজপথে চাপ বাড়ানোর পরিকল্পনা বিরোধী দলের।
সংবিধান সংস্কার নিয়ে আইনমন্ত্রী বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিলেও বিরোধী দল ভিন্নমত প্রকাশ করে আলোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে বিএনপির প্রতিনিধিদের শপথ না নেওয়ার ফলে দলটির ও দেশের জন্য নতুন সূচনা যথার্থ হলো না।
চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম সংবিধানের নামে সংস্কার ব্যাহত করলে ইতিহাস রাজনীতিবিদদের ক্ষমা করবে না বলে সতর্ক করেছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সংস্কারের সুযোগ নষ্ট করার নিন্দা করে তিনি বিএনপির দ্বিচারিতার কথা তুলে ধরেছেন। গণভোটের ফলাফল মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণকে কেন্দ্র করে তৈরি হলো প্রথম জটিলতা। বিএনপি আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিল, সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে এ ধরনের শপথের উল্লেখ নেই।.
জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়ন নিয়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকার বিষয়ে আলোচনার জন্য জামায়াতে ইসলামী সংসদে নোটিশ দিয়েছে। আজ রোববার সংসদে এই নোটিশ নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে বিতর্ক হয়। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল জানিয়েছেন, জরুরি নোটিশের আলোচনা শেষে এটি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
একনায়কতান্ত্রিক ও কঠোর নিয়ন্ত্রণবাদী চরিত্রের কারণে এবং নিজের জনগণকে গণহারে হত্যার মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনার সরকার সাংবিধানিক অধিকার ও বৈধতা হারিয়ে ফেলেছিল।
রাষ্ট্র সংস্কারের প্রশ্নে আমরা এখন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি। সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতির (পিআর) ভিত্তিতে উচ্চকক্ষ গঠন এবং সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে উচ্চকক্ষের অনুমোদন বা ভেটো দেওয়ার ক্ষমতা সংস্কার কমিশনের এই প্রস্তাবেতে বিএনপি শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রায় শেষ হয়ে এল। প্রায় দেড় বছরের শাসন শেষ হওয়ার পর এখন তাদের কিছু প্রাথমিক মূল্যায়ন করা যেতে পারে। গত দেড় বছরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বেশ কিছু বড় বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বদিউল আলম মজুমদার রাষ্ট্রের কাঠামোগত সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন।
রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ূম সতর্ক করেছেন, সংবিধানের নামে সংস্কারের উদ্যোগ ব্যাহত করলে জনগণ রাজপথে নামবে। জাতীয় সংসদের সরকারি দলকে আওয়ামী লীগের ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের চেতনা রক্ষার জন্য রাজনৈতিক সংস্কার জরুরি।