
পচা রাজনীতিকে আমরা পাল্টে দিতে চাই: জামায়াতের আমির
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘পচা রাজনীতিকে আমরা পাল্টে দিতে চাই। এই পচা রাজনৈতিক সংস্কৃতি পরিবর্তন করতেই জামায়াতে ইসলামী রাজপথে নেমেছে।’

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘পচা রাজনীতিকে আমরা পাল্টে দিতে চাই। এই পচা রাজনৈতিক সংস্কৃতি পরিবর্তন করতেই জামায়াতে ইসলামী রাজপথে নেমেছে।’

ইরানের রাজপথের বিক্ষোভ এখন স্তিমিত। হাজার হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই অস্থিরতায় সমর্থন দেওয়ার অভিযোগে অনেকের ব্যবসায়িক সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে

১৯৫৩ সালের আদি পাপ ওয়াশিংটনকে শিখিয়েছিল টাকা দিয়ে রাজপথ কেনা যায় এবং নেতৃত্ব সরানো যায়। দীর্ঘমেয়াদি ফলের কথা কেউ ভাবেনি। আজ সেই বুমেরাং ফিরে আসছে ধারালো হয়ে।

ষোলো বছরের এক রুদ্ধশ্বাস অধ্যায়ের অবসানের পর বাংলাদেশ আজ দাঁড়িয়ে আছে নীরবতা ও উত্তেজনার এক অদ্ভুত সন্ধিক্ষণে। ২০২৪ সালের রাজপথ যখন রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল, তখন স্লোগানগুলো কেবল কোনো ব্যক্তির পতনের দাবি ছিল না।

ইরান এখন যে পথে হাঁটছে, সেই পথে এর আগেও অনেকবার হেঁটেছে দেশটি। প্রায় ৪০ বছর ধরে দেশটির রাজপথগুলো মানুষের ক্ষোভ, আর্তচিৎকার আর হঠাৎ নেমে আসা নীরবতার সাক্ষী হয়ে আছে। এখানকার নাগরিকদের কাছে আন্দোলন তাই নতুন কিছু নয়।

তেহরানের রাজপথের বাস্তবতা বিদেশি হামলার বিরুদ্ধে একধরনের মানসিক প্রতিরক্ষা বলয় তৈরি করেছে। প্রখ্যাত সামরিক বিশ্লেষক রন বেন ইশাইয়ের মতে, অসন্তোষ থাকলেও এসব বিক্ষোভের এখনো কোনো ঐক্যবদ্ধ নেতৃত্ব নেই এবং তাৎক্ষণিকভাবে সরকার উৎখাত করার সক্ষমতাও তৈরি হয়নি।

স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে রাজপথ গণতন্ত্রের প্রধান অস্ত্র ছিল। কিন্তু গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় রাজপথ নিয়মিত রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার কেন্দ্র হতে পারে না।

মিনিয়াপোলিসে ১০ হাজারের বেশি বিক্ষুব্ধ মানুষ রাজপথে নেমেছেন।

অভ্যুত্থানের চেতনা কতখানি বেহাত হলো, সে বিষয়ে সন্দিহান করে তোলে। কেননা, জুলাইয়ের সময় ‘বৈষম্যহীন’, ‘নতুন বন্দোবস্ত’ ও ‘ইনসাফের’ জন্যই সাধারণ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিল। দিন শেষে মানুষ শান্তি চায়, চায় জীবনমানের দৃশ্যমান উন্নতি। এই চাওয়ার কতখানি পেলাম আমরা, তা নৈর্ব্যক্তিকভাবে পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি।