জমাটরস
এই নিয়ে হাহুতাশ না করে কীভাবে আনন্দমুখর পরিবেশে জলাবদ্ধতা উদযাপন করা যায় এবং একটু বুদ্ধি খাটিয়ে কীভাবে এই নিয়ে ব্যবসা করে দেশের জিডিপি বাড়ানো যায়, তা নিয়েই ভেবেছেন+এঁকেছেন আনিকা নাওয়ার
এই নিয়ে হাহুতাশ না করে কীভাবে আনন্দমুখর পরিবেশে জলাবদ্ধতা উদযাপন করা যায় এবং একটু বুদ্ধি খাটিয়ে কীভাবে এই নিয়ে ব্যবসা করে দেশের জিডিপি বাড়ানো যায়, তা নিয়েই ভেবেছেন+এঁকেছেন আনিকা নাওয়ার
আসলে সাংবাদিকেরা আমাকে নিয়ে বেশি জানে না। জানার চেষ্টা করতে গিয়ে অনেক সময় ঝড়ে বক মরে, তখন মনে করে ফকিরের কেরামতি!
নতুন বাজেটে নানা খাতে পকেটে একটা বাড়তি চাপের পাশাপাশি প্রতি চার বছর পরপর এই সময় ঘরে আসে নতুন এই আরেক চাপ—বিশ্বকাপ!
প্রতিটি সেশনে সর্বোচ্চ নম্বরধারী হবেন ‘ফেসবুকার অব দ্য ইয়ার’। ওই সেশনের সবাই তাকে স্যার ডাকতে বাধ্য থাকবেন।
আমরা বাংলাদেশের মানুষ। আমাদের আবেগ একটু বেশি। একটু না, অনেক বেশি। আমরা বৃষ্টিতে ভিজে প্রেমে পড়ি, ক্রিকেটে হেরে কাঁদি, আর আপনার গোল দেখলে পাগল হয়ে যাই।
জাতীয় দৈনিকগুলোতে দেখা যায় ঢাকার বিশেষ কিছু জায়গায় রয়েছে ছিনতাইয়ের উপদ্রব।
একবার এক ধুরন্ধর লোক আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে বলেছিল, কিছু টাকা দিলে আমাকে একটা সাহিত্য পুরস্কার জুটিয়ে দেবে সে! শর্ত হলো, পুরস্কারের টাকাটাও তাকে দিয়ে দিতে হবে।
কিন্তু এটা বিধাতা আমার সাথে কী খেলা শুরু করলেন? তিনি কি জানতেন না এটাই আমার শেষ আম? তাহলে কেন শেষ দানে এমন টক আম আমার ভাগ্যে রেখেছেন?
দাড়িওয়ালা বুড়াটা আবার কে? ফিফার কেউ? পরে বোঝা গেল, ম্যারাডোনা বলছেন যিশুর কথা!
বিবিসি, সিএনএন, রয়টার্সের মতো নিউজ মিডিয়ায় মজার সব ফিচার। এমনকি মার্কিন মুল্লুকের প্রেসিডেন্টও স্বয়ং তাকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন। ভাবা যায়!
মাঝে মধ্যে ট্রাফিক পুলিশ দড়ি টানিয়ে রাখে, যাতে এরা রাস্তা পার হতে না পারে। কিন্তু সে দৃশ্য দেখলে মনে হয় দড়ির ওপাশে মানুষ না, ঈদের আগে ছাড় পাওয়া গরুর পাল দাঁড়িয়ে আছে।
বহুল আলোচিত একটি কিচেন ক্যাবিনেট নিয়ে এখন শুধুই ধোঁয়াশা। কী সেই কিচেন ক্যাবিনেট?