
শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব
মানবজাতিকে যে জ্ঞানামৃত বিতরণ করে গেছেন তার জন্য কখনো বাইরে কোথাও যাননি তিনি, বরং যারা তাঁর কাছে এসে উপদেশ গ্রহণ করবেন, তাদের জন্য অপেক্ষা করছিলেন।
১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ এ ১১:২২ পূর্বাহ্ণ

মানবজাতিকে যে জ্ঞানামৃত বিতরণ করে গেছেন তার জন্য কখনো বাইরে কোথাও যাননি তিনি, বরং যারা তাঁর কাছে এসে উপদেশ গ্রহণ করবেন, তাদের জন্য অপেক্ষা করছিলেন।

গ্রামবাংলায় প্রাচীন অশ্বত্থ বা বটমূলে প্রস্তরখণ্ডকে শিবরূপে পূজা করার চল রয়েছে। নগরকেন্দ্রিক সভ্যতার বিকাশেও এক চিত্র লক্ষ্য করা যায়। শিবের মন্দিরকে কেন্দ্র করে মেলা বসে।

কৃপালাভের আশায় ঘরে ঘরে, মন্দিরে ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আয়োজন করা হয় সরস্বতীপূজা।

প্রাতিষ্ঠানিক বৌদ্ধধর্মের রাজনীতি থেকে দূরে থাকতে ১২৪৩ সালে তিনি দূরবর্তী ইহি প্রদেশের এক পার্বত্য অঞ্চলে ‘চিরন্তন শান্তির মন্দির’ প্রতিষ্ঠা করেন।