শ্রীলঙ্কায় দ্বিতীয় দফায় তেলের দাম ২৫% বাড়ানো হলো
গত সপ্তাহে শ্রীলঙ্কার সরকার খুচরা পর্যায়ে জ্বালানির দাম ৮ শতাংশ বাড়ানোর নির্দেশ দেয়। এ ছাড়া ব্যবহার সীমিত করতে জ্বালানি তেল কেনার সীমা বেঁধে দেয় দেশটি।
গত সপ্তাহে শ্রীলঙ্কার সরকার খুচরা পর্যায়ে জ্বালানির দাম ৮ শতাংশ বাড়ানোর নির্দেশ দেয়। এ ছাড়া ব্যবহার সীমিত করতে জ্বালানি তেল কেনার সীমা বেঁধে দেয় দেশটি।
কিছু কোম্পানির জন্য এই সংঘাত উল্টো বিপুল মুনাফা অর্জনের বড় সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে।
রপ্তানিকারকেরা বলছেন, তৈরি পোশাকে মার্কিন তুলা ব্যবহারের সত্যতা যাচাইয়ের পদ্ধতি কী হবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে কঠিন শর্ত আরোপ করা হলে তাতে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে।
ইরান শান্তি আলোচনা অচলাবস্থায় আটকে থাকা সামনে বুধবার বেইজিংয়ে পৌঁছালেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। বাণিজ্য ছাড়াও সি চিন পিংয়ের সঙ্গে ইরান যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। চীনকে তেহরানের ওপর প্রভাব খাটাতে বলতে পারেন ট্রাম্প।
ইরান যুদ্ধ পারস্য উপসাগর দিয়ে তেল ও গ্যাসের অধিকাংশ বাণিজ্য বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে হাজার হাজার মাইল দূরের দেশগুলো হঠাৎ করেই জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে বেশ সংকটে পড়েছে।
গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা চালানোর সময় থেকে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রলের জাতীয় গড় দাম গ্যালনপ্রতি ৯০ সেন্ট বেড়েছে।
আগামী জুন মাসে সরবরাহ হবে এমন ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম বৃহস্পতিবার বেড়ে এক পর্যায়ে ব্যারেলপ্রতি ১২৬ দশমিক ৪১ মার্কিন ডলারে উঠেছে, যা ২০২২ সালের মার্চের পর সর্বোচ্চ।
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের এক মাসে দেশে ১১টি জাহাজে ৩ লাখ ২৭ হাজার টনের বেশি জ্বালানি এসেছে, ভারত থেকে পাইপলাইনে ২২ হাজার টন ডিজেল। নির্ধারিত আটটি জাহাজ পৌঁছায়নি, সরবরাহে চাপ পড়েছে। বিপিসি বিকল্প উৎস থেকে সংগ্রহ জোরদার করছে।
ম্যাককোয়ারি গ্রুপের গবেষণায় বলা হয়েছে, যুদ্ধ জুন পর্যন্ত চললে তেলের দাম সাময়িকভাবে ২০০ ডলার ছাড়াতে পারে, সম্ভাবনা ২০ শতাংশ। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ ও হরমুজ বন্ধের কারণে ডব্লিউটিআই ক্রুড ১০০ ডলার পেরিয়েছে। বিশ্লেষকরা সতর্ক করছেন, সরবরাহ সংকট গভীর হলে বিশ্ব অর্থনীতি বড় ধাক্কা খাবে।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফর ইরান যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্র চীনের সাহায্য চাইছে ইরানের ওপর প্রভাব খাটাতে। বাণিজ্য, তাইওয়ান ও অর্থনৈতিক নির্ভরতার মধ্যে বিশ্বের নতুন সমীকরণ ফুটে উঠছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি যারা লাভবান হচ্ছে, তাদের মধ্যে আছে যুক্তরাষ্ট্রের তেল ও গ্যাস উৎপাদকেরা; তারা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ‘অস্বাভাবিক মুনাফা’ করেছে।
মার্চ মাসে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি ১৯.৭৮ শতাংশ কমে ৩৩৯.৬০ কোটি ডলার হয়েছে। ঈদুল ফিতরের ছুটি, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক, চীনের প্রতিযোগিতা ও মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ এর জন্য দায়ী। চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে রপ্তানি ৩.১৫ শতাংশ কমেছে।