চট্টগ্রাম অঞ্চলে ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ধসে ছয়জনের মৃত্যু, ব্যাহত সড়ক ও রেল যোগাযোগ
চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারো পাহাড়ধসে ছয়জন নিহত, পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে নিচু এলাকা
চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারো পাহাড়ধসে ছয়জন নিহত, পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে নিচু এলাকা
কক্সবাজারে টানা ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ৯টি উপজেলার ৩৩টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। পাহাড়ধস ও ঘরধসে আট রোহিঙ্গাসহ ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং হাজারো মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন।
বান্দরবানের নাফাখুম এলাকায় ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে আটকে পড়া ৬৯ পর্যটক ও ১০ গাইড মঙ্গলবার রেমাক্রি ইউনিয়নে নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরেছেন। দুর্যোগের কারণে ১০ জুলাই পর্যন্ত জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে প্রশাসন।
উজানে ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে নীলফামারীতে তিস্তা নদীর পানি বাড়ছে। রোববার বেলা তিনটায় লালমনিরহাটের দোয়ানীতে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি বেড়ে বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
উজানের পাহাড়ি ঢলে নীলফামারীর ওপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদীর পানি বেড়েছে। আজ শনিবার সকাল ৯টার দিকে লালমনিরহাটের দোয়ানী পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
হাওরে এবার বোরো ধানের ভালো ফলনের আশায় ছিলেন কৃষকেরা। কিন্তু মৌসুমের শেষ দিকে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় সেই আশা ভেসে গেছে।
সরকারি হিসাবে অতিবৃষ্টি ও উজানের পাহাড়ি ঢলে জুড়ী উপজেলার ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ ধান পানির নিচে চলে গেছে।
‘জমির ধান গেল পানিতে, এখন খলার (কাটার পর স্তূপ করে রাখা) ধান নষ্ট অইযায় রইদের ( রোদ) অভাবে।’
নেত্রকোনায় ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে কংস নদের পানি বিপৎসীমার ১ দশমিক ১০ মিটার এবং উব্দাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ৮১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
কৃষক আবদুল মালিক (৮৫) হাওরে ২৯ বিঘা জমিতে বোরো ধানের আবাদ করেছিলেন। এর মধ্যে ২০ বিঘাই তলিয়ে গেছে অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে।
ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি উজান থেকে আসা ঢলে সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, মৌলভীবাজার ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হাওরাঞ্চলে বিস্তৃত এলাকার ধানখেত তলিয়ে গেছে।
খাগড়াছড়িতে ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ফসলের ক্ষতি, দুশ্চিতায় কৃষক।