
স্বাস্থ্যের ৯ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ১৩ সদস্যের সেল
বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লিখিত স্বাস্থ্য খাতের প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে ১৩ সদস্যের একটি ‘সেল’ করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লিখিত স্বাস্থ্য খাতের প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে ১৩ সদস্যের একটি ‘সেল’ করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার এবং দলের নেতাদের বক্তব্য মানুষকে আশান্বিত করেছিল।

বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে এই অঙ্গীকার ছিল। মন্ত্রিসভার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে সেই অঙ্গীকার পূরণের সিদ্ধান্ত।

নির্বাচনের আগে টলটলে কুয়াশার ভেতর ঘুরছিলাম রূপাভুই, লামাগাঁও, বাঙ্গালভিটা, বাসাউড়া, মুঝরাই গ্রামে।

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে একজন পূর্ণ মন্ত্রী এবং একজন প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব নিয়েছেন।

বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো নিয়ে বিতর্ক কোনো নতুন বিষয় নয়। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী ইশতেহারে ‘মেধাতান্ত্রিক’ শাসনব্যবস্থা বা মেরিটোক্রেসি প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু মেরিটোক্রেসি কি শুধু পরীক্ষায় পাওয়া নম্বরের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে? না, বস্তুত মেরিটোক্রেসি হলো দক্ষতা, যোগ্যতা, সততা ও কর্মদক্ষতার সমন্বিত রূপ।

পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে ইশতেহারে বিএনপি যে এক্সক্লুসিভ ট্যুরিজম জোন গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, সেটা পাহাড়ে বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর জন্য বিপজ্জনক বলে মনে করার যথেষ্ট কারণ আছে। কারণ, এসব ট্যুরিজম জোন গড়তে গিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন জাতিসত্তার মানুষের উচ্ছেদ হওয়ার উদাহরণের অভাব নেই।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী ইশতেহারে পরিবেশ ও প্রকৃতি রক্ষায় এই অঙ্গীকারগুলো করেছে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি।

গণ-অভ্যুত্থানের আগে দেশ এক দীর্ঘ স্বৈরশাসনের মধ্য দিয়ে গেছে। আওয়ামী লীগের দুর্নীতি ও দুঃশাসন সব মাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছিল।

মুক্তকণ্ঠতে প্রকাশিত সাম্প্রতিক কলামে মাহতাব উদ্দীন আহমেদ এনসিপির নির্বাচনী ইশতেহার নিয়ে যে প্রশ্ন ও সমালোচনা উত্থাপন করেছেন, সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়ার মতো।

নারীকে নানাভাবে আরও অধস্তনতার দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে, সেখানে এমন একটি উদ্যোগ নারীর ক্ষমতায়নকে আরও সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

এখন প্রশ্ন হলো, বিএনপি ক্ষমতায় এলে ‘আইনের শাসন’ কি এই রাঘববোয়ালদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে? নাকি দল পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে লুটেরারাও ভোল পাল্টে নতুন সরকারের ‘আশ্রয়’ নেবে?