
কালপুরুষ চিনুন আকাশে
আজ আমরা চিনব কালপুরুষ বা ওরিয়ন নক্ষত্রমণ্ডল।

আজ আমরা চিনব কালপুরুষ বা ওরিয়ন নক্ষত্রমণ্ডল।

চার নভোচারী আর্টেমিস-২ মিশনে চাঁদের দূরবর্তী দিকে পৌঁছে নতুন রেকর্ড গড়েছেন, সফলভাবে পৃথিবীতে ফিরেছেন।

বিশাল মহাবিশ্বে কি অন্য কোথাও প্রাণের অস্তিত্ব আছে? এই প্রশ্ন আমাদের অনেকের মনেই উঁকি দেয়।

ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ওয়ান্ডার লেসন সিরিজের মাধ্যমে শেখাচ্ছে মহাকাশের নানা রহস্যকে।

পরিষ্কার রাতে শহর থেকে দূরে গেলে আমরা চাঁদ, বিভিন্ন গ্রহ ও অসংখ্য নক্ষত্র দেখতে পাই। এমনকি বড় শহরের আলোকদূষণের মধ্যেও কিছু উজ্জ্বল নক্ষত্র খালি চোখে স্পষ্ট দেখা যায়। আকাশ দেখার শুরুতে একটি বিশেষ কৌশল আপনাকে অনেক সাহায্য করবে। একে বলা হয় হাতের মাপের কৌশল।

নাসার বিজ্ঞানীরা ১২০ আলোকবর্ষ দূরে অদ্ভুত এক সৌরজগত আবিষ্কার করেছেন, যেখানে পৃথিবীর মতো দুটি গ্রহ রয়েছে এবং গ্রহবিন্যাস আমাদের সৌরজগতের উল্টো। এই আবিষ্কার গ্রহ গঠনের প্রচলিত জ্ঞানকে চ্যালেঞ্জ করেছে।

আর্টেমিস-২ চন্দ্রাভিযানে অংশ নেওয়া নভোচারীরা মহাকাশের অন্ধকারে পৃথিবীকে লাইফবোটের মতো দেখে বিস্মিত হয়েছেন এবং ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছেন। গত শুক্রবার ক্যালিফোর্নিয়া উপকূলে নিরাপদে অবতরণের পর হিউস্টনে সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। অভিযানে একাধিক ঐতিহাসিক মাইলফলক গড়ে উঠেছে।

আর্টেমিস-২ চন্দ্রাভিযান শেষে চার নভোচারী পৃথিবীতে ফিরে মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজে সুস্থ ও খুশি আছেন। নাসার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা শিগগিরই হিউস্টনে ফিরবেন এবং পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন। ওরিয়ন ক্যাপসুল সান ডিয়েগো উপকূলে সফলভাবে অবতরণ করেছে।

নাসার আর্টেমিস প্রোগ্রামে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে স্থায়ী ঘাঁটি স্থাপনের পরিকল্পনা। চাঁদে বসবাসে মানবদেহে মহাকর্ষ, বিকিরণ ও অন্যান্য প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞানীরা সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করছেন।

নাসার আর্টেমিস ২ অভিযানে চার নভোচারী চাঁদের চারপাশ প্রদক্ষিণ করে নতুন রেকর্ড গড়েছেন। রকেট ও মহাকাশযানের সাফল্য সত্ত্বেও কিছু সমস্যা দেখা গেছে। এটি চাঁদে মানুষ পাঠানোর পথে আশাবাদ জাগিয়েছে।

আর্টেমিস ২ মিশনে কমান্ডার রিড ওয়াইজম্যান আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স দিয়ে চাঁদের চেবিশেভ ক্রেটারের অসাধারণ ছবি তুলে বিশ্বকে মুগ্ধ করেছেন। নাসার নভোচারীরা প্রথমবার স্মার্টফোন নিয়ে মহাকাশ অভিযানে অংশ নিচ্ছেন। ছবিগুলো নাসার ফ্লিকারে পাওয়া যাচ্ছে।

নাসার আর্টেমিস-২ অভিযানে চাঁদের পেছনে যোগাযোগবিচ্ছিন্ন অবস্থায় নভোচারীদের অনুভূতি জানতে চেয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তাঁরা পৃথিবী থেকে সবচেয়ে দূরবর্তী জায়গায় পৌঁছে নতুন রেকর্ড গড়েছেন। অভিযান শেষে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ট্রাম্প।