যেভাবে দরুদ পড়লে জীবনে দুশ্চিন্তা কমে আসবে
নবীজি নিজেও উম্মতকে দরুদের তাগিদ দিয়েছেন। বলেছেন, ‘তোমরা আমার ওপর অধিক পরিমাণে দরুদ পাঠ করবে। কেননা তা আমার কাছে পৌঁছানো হয়, ফেরেশতারা পৌঁছে দেন।
নবীজি নিজেও উম্মতকে দরুদের তাগিদ দিয়েছেন। বলেছেন, ‘তোমরা আমার ওপর অধিক পরিমাণে দরুদ পাঠ করবে। কেননা তা আমার কাছে পৌঁছানো হয়, ফেরেশতারা পৌঁছে দেন।
ওয়ারাকা মুহাম্মদের জবানিতে ঘটনা শুনে বলেন, ‘ইনি তো সেই ফেরেশতা, মুসার কাছে যিনি আসমানি বার্তা নিয়ে আসতেন। হায়, যদি আমি শক্ত-সমর্থ যুবক থাকতাম!
মহানবী (সা.) তাঁর জীবনে শুধু আধ্যাত্মিক সাধনাই করেননি, বরং শরীরচর্চা, খাদ্যাভ্যাস এবং মানসিক প্রশান্তি বজায় রাখার ক্ষেত্রেও এক অনন্য আদর্শ স্থাপন করেছেন।
চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত যখন নিলেন, তাঁকে জানানো হলো, সমকালীন রাজন্যবর্গ সিলমোহর ছাড়া চিঠি গ্রহণ করেন না। ফলে তিনি রুপা দিয়ে একটি আংটি তৈরি করান।
মক্কার তপ্ত বালু থেকে তায়েফের রক্তাক্ত প্রান্তর—সবখানেই তিনি ধৈর্য ও সংকল্পের মাধ্যমে জয়ী হয়েছেন। সফল হওয়ার জন্য তাঁর জীবনের ১০টি জীবনমুখী শিক্ষা তুলে ধরা হলো:
নবীজি (সা.)-এর যুগে মারওয়ায় কোরবানি হতো না; বরং মিনায় কোরবানি হতো, যা মক্কা থেকে তিন মাইল দূরত্বে অবস্থিত। তথাপি তিনি মারওয়াকে কোরবানির স্থান বলেছেন।
হিজরতের পর রাসুল (সা.) মুহাজির ও আনসারদের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন তৈরি করে দিয়েছিলেন। সে সূত্রে আব্দুর রহমানের ভাই হলেন আনসার সাহাবি সাদ ইবনে রবি।
উম্মুল মুমিনিন আয়েশা (রা.)-এর জীবন থেকে দাম্পত্য জীবনে ত্যাগ ও আনুগত্যের শিক্ষা। নবীজি (সা.)-এর সঙ্গে তাঁর প্রায় নয় বছরের সম্পর্কে ছবি ও খাবার ভাগাভাগির ঘটনা দুটি চমৎকার দৃষ্টান্ত। এগুলো পারিবারিক শান্তির ভিত্তি গঠনে সাহায্য করে।
এক জুমার দিন নবীজি (সা.) মদিনায় খুতবা দিচ্ছিলেন। এক ব্যক্তি এসে বলল, ‘হে আল্লাহর রাসুল, বৃষ্টি না হওয়ায় দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে, আপনি আমাদের জন্য বৃষ্টির দোয়া করুন।’
মহানবী (সা.)–এর আগমন-পূর্ব আরব সমাজে ছিল যুদ্ধবিগ্রহ ও বিশৃঙ্খলার জয়জয়কার। তিনি সমাজে শান্তি ফিরিয়ে আনতে বিশেষ ৪টি উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।
দ্বন্দ্ব এমন পর্যায়ে পৌঁছাল যে, যুদ্ধের দামামা বেজে উঠল। বনু আবদুদ দার এবং বনু আদি গোত্র তো একটি পাত্রে রক্ত ভরে তাতে হাত ডুবিয়ে মৃত্যুর শপথ পর্যন্ত নিয়ে নিল।
বইটি প্রকাশের পর থেকে ইংরেজিভাষী মুসলিম–মুসলিম পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি হয়। বইটি দেখলে জীবনীগ্রন্থ মনে হয় না, বরং যেন একটি সুপরিকল্পিত ‘স্টাডি গাইড’।