দেশে ১০ লাখ মার্চেন্টের বাংলা কিউআরে ‘নগদ’ পেমেন্ট
নগদ চালু করল ‘বাংলা কিউআর’ পেমেন্ট সেবা, যা ক্যাশলেস লেনদেনকে সহজ ও দ্রুততর করবে সব গ্রাহকের জন্য।
নগদ চালু করল ‘বাংলা কিউআর’ পেমেন্ট সেবা, যা ক্যাশলেস লেনদেনকে সহজ ও দ্রুততর করবে সব গ্রাহকের জন্য।
ক্রেডিট কার্ডের শূন্য শতাংশ ইএমআই সুবিধায় মধ্যবিত্তের কেনাকাটা সহজ হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নীতিমালা গ্রাহক সুরক্ষা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করেছে। ইলেকট্রনিকস থেকে স্বাস্থ্যসেবা পর্যন্ত বিভিন্ন খাতে এই সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক আজ রোববার এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। আজ রাত ১২টা থেকে নির্বাচনের দিন দিবাগত রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত এসব সেবা সীমিত থাকবে।
আহসান এইচ মনসুর বলেন, ডিজিটাল লেনদেনে এখন ১ থেকে ১ দশমিক ১৫ শতাংশ যে মাশুল আছে, তা সরকার ভর্তুকি হিসেবেও দিতে পারে।
ডিজিটাল যুগে ক্রেডিট কার্ড ব্যবসা, শিক্ষা ও দৈনন্দিন লেনদেনের অবিচ্ছেদ্য হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নীতিতে ঋণসীমা দ্বিগুণ হওয়ায় করপোরেট ও স্টুডেন্ট কার্ডের চাহিদা বেড়েছে। বিভিন্ন ব্যাংকের সুবিধা ও সতর্কতার পরামর্শও জানুন।
বাংলা কিউআর কোড বাধ্যতামূলক করার পর এই সেবার আওতায় দিনে লেনদেন হচ্ছে ১১ থেকে ১২ কোটি টাকা। অথচ ব্যাংকের কার্ড ও এমএফএস গ্রাহকেরা দৈনিক ৩৪০ কোটি টাকার ডিজিটাল লেনদেন করেন।
একদিকে খুচরা টাকার ঝামেলা নাই হয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে পুরোনো বা জাল টাকার ঝুঁকিও নেই। ফলে কেনাকাটায় ডিজিটাল লেনদেন দিনে দিনে বাড়ছে।
বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী ও টেকসই আর্থিক বনিয়াদ গড়ে তুলতে ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের বিস্তৃত এটিএম ও কার্ড নেটওয়ার্ক সাধারণ মানুষকে সহজে ডিজিটাল লেনদেনের সুবিধা দিচ্ছে। ১ কোটি ৬৬ লাখের বেশি কার্ড গ্রাহক নিয়ে ব্যাংকটি ক্যাশলেস সমাজ গঠনে নেতৃত্ব দিচ্ছে। এমডি মো. এহতেশামুল হক খানের সাক্ষাৎকারে জানা গেল নতুন প্রযুক্তি ও সেবার বিবরণ।
ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের এই অ্যাপটি ২০১৮ সালে চালু হয়। অ্যাপটির মাধ্যমে গত বছর লেনদেন হয়েছে প্রায় ২ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকায়।
অনলাইনে কেনাকাটার এই বিশাল জোয়ারের সবচেয়ে বড় চালিকা শক্তি হয়ে উঠেছে ক্যাশলেস বা নগদবিহীন লেনদেন।
২০২৫ সালে নগদের মাধ্যমে প্রায় ৩ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা এক বছরে প্রতিষ্ঠানটির সর্বোচ্চ লেনদেনের রেকর্ড।