
ভোট এলে বেড়ে যেত গুম
গুম-সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচনের আগে গুমের ঘটনা বেড়ে যেত, বেছে বেছে লক্ষ্যবন্তু করা হতো বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মী, সমর্থকদের।

গুম-সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচনের আগে গুমের ঘটনা বেড়ে যেত, বেছে বেছে লক্ষ্যবন্তু করা হতো বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মী, সমর্থকদের।

গুমের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় আসামিপক্ষকে র্যাব সদর দপ্তরের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেল পরিদর্শনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

এ মামলায় সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের তারিখ ধার্য করা হয়েছে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি।

২২৯ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সরকার। এতে রয়েছে ভুক্তভোগীদের বর্ণনা ও বিভিন্ন বাহিনীর কর্মকর্তাদের অপরাধের প্রমাণ।

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ–২০২৬ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।

আওয়ামী লীগ শাসনামলের গুমের ঘটনা নিয়ে অনেক কর্মকর্তা তাঁদের অগোচরে এসব ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করলেও গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশন বলেছে, এসব ঘটনায় দায়িত্বশীলদের দায় এড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।

গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আগে আওয়ামী লীগের দেড় যুগের শাসনকালে গুম করে হত্যার পর অনেক ব্যক্তির লাশ ফেলা হয়েছে বরিশালের বলেশ্বর নদে ও বরগুনার পাথরঘাটায়।

গুমের পেছনে মূলত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল বলে চূড়ান্ত প্রতিবেদনে জানিয়েছে গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ আজ বৃহস্পতিবার এই জবানবন্দি দেন তাজুল ইসলাম।

পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণা, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে এবং লাশ গুম করার চেষ্টা করা হয়েছে।

সূচনা বক্তব্যের পর প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন ভুক্তভোগী চৌগাছা থানা ছাত্রশিবিরের তৎকালীন সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন। তিনি ওই ঘটনার বর্ণনা তুলে ধরেন।

সংসদে প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর ছাত্রসংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক জিসান মিয়া প্রধানকে নিয়ে গত কয়েক দিনে যে ‘অলৌকিক’ এবং ‘অতি-নাটকীয়তা’ কাণ্ডকীর্তি রচিত হলো, তা যেকোনো লাতিন আমেরিকান সোপ অপেরা বা কলকাতার মেগা সিরিয়ালকে অনায়াসে টেক্কা দিতে পারে।