
ঈগল থাবা ও রাঘব বোয়াল
প্রতিবছর আমরা এক মাস ইউরোপ দেখি, ট্রেন থেকে কোনো অচেনা জায়গায় নেমে পড়ি। সঙ্গে দুটো ব্যাকপ্যাক ছাড়া কিছুই থাকে না।

প্রতিবছর আমরা এক মাস ইউরোপ দেখি, ট্রেন থেকে কোনো অচেনা জায়গায় নেমে পড়ি। সঙ্গে দুটো ব্যাকপ্যাক ছাড়া কিছুই থাকে না।

পড়ে শোনাই, ভাই তো পড়তে জানে না! আমি বলি, ভাই, আপনের বউ তো উকিল নোটিশ পাঠাইছে, আপনের সাথে আর থাকবে না!

‘যদি জানতে পারতিস সেদিন আমার চোখের কথা কে জানিয়েছিল মিলিটারিকে, তুই কী করতিস?’

বাবা মাঝেমধ্যে কারাগারের দেয়ালে হেলান দিয়ে সুরা ইয়াসিন পড়েন। পুরোটা পড়তে পারেন না। ইজরায়েলি বাহিনীরা তিলাওয়াত শুনে তেড়ে আসেন।

হামেদ গাড়িয়ালের অল্প বয়স। তা বিশও হতে পারে, বাইশও। তাদের বাবা ছগির গাড়িয়ালও ছিল এ এলাকায় অতিবিখ্যাত।

যুদ্ধের প্রথম হপ্তাতেই সংবাদ অফিসে আগুন দিল। সাবের ভাই আগুনে পুড়ে কয়লা হয়ে গেলেন। ফিনিস। কয়লার টুকরা দেখে আজরাইল ফেরেশতাও কেঁদে ফেলল।

লেনিনগ্রাদে থাকাকালে তিনি কলেজে ভর্তি হন এবং পরে বহিষ্কৃত হন। কারণ ছিল তাঁর ‘সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়তার অভাব’।

মহসিন খুব ভালো ছাত্র ছিল, সে ব্যাকরণ পছন্দ করত, ফিজিকসের নৈয়মিক তার ভালো লাগত। কর্তা, কর্ম ও ক্রিয়া―এদের মধ্যে একটা শৃঙ্খলা আছে, সে শৃঙ্খলা পছন্দ করত।

তিনি আবার ভয় পেয়ে যান। কেন এমন হচ্ছে? এমন সময় তাঁর ভেতর থেকে কে যেন বলে ওঠে, ‘তোমার ওই পাপী হাত দিয়ে তাঁকে ছুঁতে পারবে না।’

প্রায়ই লম্বা ঘুমে, না হয় নীলক্ষেতের পুরান বইয়ের ঢিপি কিংবা আজিজ মার্কেটের প্রথমা-তক্ষশিলায় বই নাড়াচাড়া করেই কাটে।

আমি নিশ্চিত এই লোকই আমার কবিতা লেখার কথা ডিজিকে লাগিয়েছে। ধীর পায়ে পিডির রুম থেকে বেরিয়েই সিঁড়ির দিকে চোখ গেল।

অপু কেন যেন ভ্যা–ভ্যা করে কাঁদতে লাগল, সুলতান তাকে চেপে ধরে রাখল, পুরোনো সমস্ত ভুলের মতন গাঢ় করে জড়িয়ে ধরে রাখল বন্ধুকে।