অনুসন্ধান ইঞ্জিন

সংবাদ অনুসন্ধান করুন

94 টি ফলাফল পাওয়া গেছে: "গল্প-অন্য আলো"

সময়হীন কক্ষে :: শাহ্‌নাজ মুন্নী

সময়হীন কক্ষে :: শাহ্‌নাজ মুন্নী

‘আপনি কার হয়ে কাজ করছেন? বলুন, কোনো তথ্য আড়াল করবেন না। কারা মদদ দিচ্ছে আপনাকে? কত টাকা পেয়েছেন? কোথায় সেই টাকা? চুপ করে থাকবেন না। বলুন!’

২৯ মার্চ, ২০২৬ এ ৪:৫৪ অপরাহ্ণ
দেয়ালের ওপাশে

দেয়ালের ওপাশে

গত ছয় মাসে সে কোনো বন্ধুকে রেস্তোরাঁয় নিয়ে খাওয়ায়নি। কাউকে সিগারেট গিফট করেনি। মদ খাওয়ায়নি কাউকে। তাই বন্ধুদের কাছেও বুঝি সে আর আগের মতো প্রিয় নেই।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ এ ৪:২৯ অপরাহ্ণ
কাগজের এরোপ্লেন

কাগজের এরোপ্লেন

শাহাদুজ্জামানের গল্পটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৯৮ সালের ৬ নভেম্বর মুক্তকণ্ঠের প্রথম বর্ষের তৃতীয় সংখ্যার ‘শুক্রবারের সাময়িকী’তে। তখনো মুক্তকণ্ঠ অনলাইন কার্যক্রম শুরু হয়নি, তাই গল্পটি এত দিন শুধু ছাপা পত্রিকার পাতাজুড়েই ছিল। গল্পটি আজ প্রথমবারের মতো অন্য আলোর অনলাইন পাঠকের জন্য উপস্থাপন করা হলো।

২২ জুন, ২০২৬ এ ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ
ডিনস্টন সিমেট্রি

ডিনস্টন সিমেট্রি

ডিনস্টন সিমেট্রির নাম শুনেছেন? ওই যে শ্রীমঙ্গলে টি প্ল্যান্টার সাহেবদের কবরস্থান? ব্রিটিশ সাহেব, যারা কোম্পানির আমন্ত্রণে এ দেশে চা–শিল্পকে প্রতিষ্ঠিত করতে এসে আর নিজ ভূখণ্ডে ফিরে যেতে পারেনি। কেউ রোগে, কেউ বৃদ্ধ হয়ে, কারও শিশু, কারও স্ত্রী মারা যাওয়ার পর এই সুবিশাল চা–বাগানের সবুজে ঘেরা ডিনস্টন সিমেট্রিতেই এদের সমাহিত করা হয়েছে। আমি এখানকার বাসিন্দা লক্সমি। এখানে কীভাবে এলাম সে গল্পটাই বলছি।

২৮ জুলাই, ২০২৬ এ ৪:২৫ অপরাহ্ণ
ঘুম

ঘুম

আমার নাম শফিক। বয়স ৩৩। এই দুটি তথ্য আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি। এর বাইরে আমার জীবনের কোনো তথ্যই নিশ্চিত না। বারবার বদলাতে থাকে। কারণটা ভেঙে বলি। আমার জীবন একটি না, দুটি।

২৪ জুলাই, ২০২৬ এ ৮:১৫ পূর্বাহ্ণ
যে ছবির জন্য চার কাপ চা ঠান্ডা হয়

যে ছবির জন্য চার কাপ চা ঠান্ডা হয়

পত্রিকা অফিসে প্রতিদিন অনেক যুদ্ধ হয়। কোন খবর লিড হবে, কোনটা যাবে নিচে, কোন শিরোনামে সম্পাদক ভ্রু কুঁচকাবেন, কোন রিপোর্টার দেরিতে কপি দেবেন—এসব যুদ্ধ তো আছেই। কিন্তু আমাদের অফিসের সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী গৃহযুদ্ধটা হয় একটা ছবি নিয়ে। এই যুদ্ধে প্রাথমিক সৈনিক দুজন। আমি আর আমাদের ফটোগ্রাফার সাজিদ হোসেন।

২২ জুলাই, ২০২৬ এ ৭:৪৫ পূর্বাহ্ণ
ব্যাকবেঞ্চার সোহেল এবং রবীন্দ্রনাথ

ব্যাকবেঞ্চার সোহেল এবং রবীন্দ্রনাথ

সোহেল এক বিশিষ্ট ব্যাকবেঞ্চার। জীবনে একবারই সে সামনের বেঞ্চিতে বসেছিল, যেদিন তার আব্বা তাকে স্কুলে ভর্তি করিয়ে হেডমাস্টারকে বলেছিলেন তার দিকে একটু বিশেষ দৃষ্টি রাখতে। সেদিন হেডস্যার নিজে তাকে ক্লাসে পৌঁছে দিয়ে ফার্স্ট বেঞ্চিতে বসিয়ে দিয়ে গেছিলেন। তার পর থেকে সে আর কখনো ভুলেও ফার্স্ট বেঞ্চিতে বসেনি। বসবেই–বা কেন? পড়ালেখার প্রতি ন্যূনতম আগ্রহ তার কোনোকালে ছিল না; ক্লাসে স্যাররা যা বলেন, তা মনোযোগ দিয়ে শোনার কোনো কারণ সে খুঁজে পায়নি কখনো। পরীক্ষায় সে কোনোমতে টেনেটুনে পাস করে, কখনো কখনো দু–এক সাবজেক্টে ফেলও করে। পড়ালেখায় লাড্ডুমার্কা বলে এমন নয় যে তার মাথায় গোবর পোরা। সিলেবাসের বইগুলো বাদে সব ব্যাপারে তার বিপুল আগ্রহ।

১১ জুলাই, ২০২৬ এ ৮:১৫ পূর্বাহ্ণ