“যে বিষয়ে আপনার জ্ঞান নেই, তাতে ধৈর্য রাখবেন কীভাবে?”
কোরআনে নবী মুসা ও খিজিরের (আ.) ঐতিহাসিক সাক্ষাতের গল্পটি মানব ইতিহাসের এক পরম শিক্ষণীয় অধ্যায়; যা আমাদের দেখা, জ্ঞানে নিজের সীমাবদ্ধতা স্বীকার করা উচিত।
কোরআনে নবী মুসা ও খিজিরের (আ.) ঐতিহাসিক সাক্ষাতের গল্পটি মানব ইতিহাসের এক পরম শিক্ষণীয় অধ্যায়; যা আমাদের দেখা, জ্ঞানে নিজের সীমাবদ্ধতা স্বীকার করা উচিত।
মুঠোভর্তি বালুর মতো হাত ফসকে বেরিয়ে যাচ্ছে টাকাপয়সা। মনের ভেতরে একটাই প্রশ্ন ঘুরছে, আমি কি ভুল কিছু করছি? এই প্রশ্নের উত্তর আছে কোরআনে।
শয়তান অত্যন্ত সুনিপুণভাবে মানুষের অন্তরে সংশয়, মন্দ চিন্তা আর অন্যায়ের প্ররোচনা তৈরি করে। এই অদৃশ্য শত্রুর ফাঁদ থেকে বেঁচে থাকা মুমিনের বড় সংগ্রাম।
সম্পদের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। কোরআনে সম্পদের উপার্জন ও ব্যয়ের ক্ষেত্রে ভারসাম্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রযুক্তির ব্যবহার ইসলামে নিষিদ্ধ নয়, তবে যুক্তিশীল সুনির্দিষ্ট সীমা থাকা জরুরি। এআইকে টুল হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে, কিন্তু ফতোয়া প্রদানকারী হিসেবে গ্রহণ করা বিপজ্জনক।
কোরআন বারবার মনে করিয়ে দেয় যে সবকিছুর মালিক একমাত্র আল্লাহ; তিনিই সংকটের রব, তিনিই স্বস্তির দিতে পারেন—এমন বিশ্বাস মুমিনের অন্তরে প্রশান্তি তৈরি করে এবং নিয়মিত তেলাওয়াত মানুষকে পথের দিশা দেয়।
হঠাৎ পাশ থেকে একটি রিকশা আপনার গায়ে ধাক্কা দিল। ব্যথা পেলেন। এক সেকেন্ড—শুধু এক সেকেন্ডের মধ্যে ভেতরে রক্ত গরম হয়ে গেল, গলা শুকিয়ে এল।
ইবরাহিম (আ.)-এর হিজরত এবং আল্লাহর ‘নিশ্চয়ই আমার জমিন প্রশস্ত’ আয়াতের আলোকে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও উৎপীড়নময় পরিবেশ থেকে সরে আসার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। কোরআনের আয়াত, ইমাম ফখরুদ্দিন রাজি, ইমাম বাগভি এবং তাবেয়িদের ব্যাখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে। মুমিনদের জন্য আল্লাহর প্রশস্ত জমিনে ইবাদতের আহ্বান জানানো হয়েছে।
রাতের সেই নিস্তব্ধ অন্ধকারে আল্লাহ–তাআলা আসমান থেকে ডাকছেন। ‘কে আছ যে আমাকে ডাকবে? আমি সাড়া দেব। কে আছ যে চাইবে? আমি দেব—যা চাইবে তা-ই।’
ঘোষণা শেষ হতে না হতেই এক নারী দাঁড়িয়ে প্রশ্ন তুললেন। নারীটি বলেন, ‘হে আমিরুল মুমিনীন, আল্লাহর কিতাব বেশি অনুসরণযোগ্য, নাকি আপনার ঘোষণা?’
আল্লাহর রিজিকদাতা হওয়ার সবচেয়ে বড় প্রমাণ তার সর্বজনীনতা। তিনি কেবল বিশ্বাসীদের নয়, যারা তাকে অস্বীকার করে তাদেরও জীবনোপকরণ দেন।
শুধু মুখস্থের ওপর ভরসা করা হতো না। কোনো লেখা তখন পর্যন্ত গ্রহণ করতেন না, যতক্ষণ না এর পেছনে সাক্ষ্য থাকত যে এটি রাসুলের সামনে লিপিবদ্ধ করানো হয়েছে।