একজন মুমিন যেভাবে সময়কে কাজে লাগায়
সলামের দৃষ্টিতে সবচেয়ে বড় ক্ষতি হলো এমন একটি দিন পার করে দেওয়া, যেদিনে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য বা মানবতার কল্যাণে কোনো আমল করা হয়নি।
সলামের দৃষ্টিতে সবচেয়ে বড় ক্ষতি হলো এমন একটি দিন পার করে দেওয়া, যেদিনে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য বা মানবতার কল্যাণে কোনো আমল করা হয়নি।
ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে স্টেরয়েড–সংস্কৃতি আসলে একটা বিশ্বাসঘাতকতা নয়, এটা একই সঙ্গে তিনটা ভিন্ন স্তরে আমানত ভাঙে। নিচে সেই তিনটা স্তর দেখানো হলো।
এক জুমার দিন নবীজি (সা.) মদিনায় খুতবা দিচ্ছিলেন। এক ব্যক্তি এসে বলল, ‘হে আল্লাহর রাসুল, বৃষ্টি না হওয়ায় দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে, আপনি আমাদের জন্য বৃষ্টির দোয়া করুন।’
সন্তানকে প্রকাশ্যে স্নেহ দেখানো, নামাজের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতের মাঝেও তার আরাম নিশ্চিত করা—এসব ছোট ছোট আচরণই একটি শিশুর মনে নিরাপত্তাবোধ তৈরি করে।
বিপদের সময় একজন মুমিনের করণীয় কী হওয়া উচিত, সে বিষয়ে কোরআন-সুন্নাহ জীবনঘনিষ্ঠ দিকনির্দেশনা দিয়েছে।
ইসলাম মানুষের জীবনকে এভাবে ভাগ করেনি যে এক ভাগ দুনিয়া আর আরেক ভাগে ইবাদত। ইসলাম শিখিয়েছে, মানুষের পুরো জীবনই ইবাদত হতে পারে।
এআই আমলের গতি অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে, এটা সত্যি। কিন্তু তাদাব্বুর—গভীর ভাবনা, সঠিক নিয়ত, বিচক্ষণতা—এটা এখনো সম্পূর্ণ আমাদেরই কাজ।
যদি বিশ্বাসের জায়গাটি কলুষিত না হয় এবং বিনোদনটি সুস্থ ও সৃজনশীল হয়, তবে বিশুদ্ধ নিয়তের মাধ্যমে সেই বিনোদনও ইবাদতে পরিণত হয়ে যাবে।
ইহকাল ও পরকালে চূড়ান্ত সফলতা অর্জন করতে হলে মানুষকে অবশ্যই আদর্শ গুণাবলি অর্জন করতে হবে। কোরআনে ইমানদারদের এমন কিছু গুণের আলোচনা করা হয়েছে।
আত্মসমালোচনা শুধু আত্মপর্যালোচনার একটি প্রক্রিয়াই নয়; বরং এটি মানুষের চরিত্র, নিয়ত এবং আখেরাতমুখী জীবন গঠনের একটি শক্তিশালী মাধ্যম।
জীবনের প্রতিটি কঠিন ও ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ মুহূর্তে আল্লাহর নবীজির শেখানো দোয়াটিই ছিল তাঁর মনের স্থিরতা ও সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার মূল চাবিকাঠি।
কিছু দুঃখ আছে যা সবাইকে বলা যায় না; আবার কিছু ব্যথা ভাষায় প্রকাশ করাও কঠিন। এ সময় মানুষ এমন কাউকে খোঁজে, যার কাছে নির্ভয়ে সব বলা যায়।