ইরানের জন্য এবার শেষ সুযোগ: হুমকি ট্রাম্পের
ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে আবারও দাবি করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে আবারও দাবি করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইরানে সম্ভাব্য বড় ধরনের সামরিক হামলা থেকে বিরত থাকতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আহ্বান জানিয়েছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।
ট্রাম্পের দাবি, হামলাটি চালানো হলে তা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় সামরিক আক্রমণ হতো
যুক্তরাষ্ট্র আজ শনিবার বা আগামীকাল রোববারের মধ্যে ইরানে হামলা করতে পারে বলে গত শুক্রবার পরিকল্পনার ইঙ্গিত দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তার সূত্রে এ তথ্য জানা গেলেও হামলার নির্দিষ্ট পরিধি ও লক্ষ্য সম্পর্কে কিছু স্পষ্ট করা হয়নি; পরিকল্পনা বাতিলও হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
গত সপ্তাহে হোয়াইট হাউসে উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠকের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর বড় ধরনের হামলা আপাতত স্থগিত রেখেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। মূলত ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক চাপের কারণে নিজের দেশেই তিনি ও তাঁর দল রিপাবলিকান পার্টি তীব্র রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়েছে। সাম্প্রতিক জরিপগুলো বলছে, প্রায় ৭০ শতাংশ মার্কিন নাগরিকই এ যুদ্ধের বিপক্ষে।
ইরানের বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে হামলা শুরুর কথা বলছে যুক্তরাষ্ট্র; দাবি, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলার পাল্টা জবাব দিতে এসব হামলা চালানো হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীলতার কারণে জর্ডান মার্কিন সামরিক কার্যক্রম সংকুচিত করতে পারছে না।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর হুঁশিয়ারির পর ইরানে টানা ১৩তম রাতে মার্কিন বিমান হামলা চালানো হয়েছে, যাতে আহভাজ শহরের কাছে চারজন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
হরমুজ প্রণালি ও লোহিত সাগরে উত্তেজনার backdrop-এ ইরানে বড় সামরিক হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, যার প্রভাবে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে।
পেন্টাগনের দাবি, আহত সেনাদের বড় অংশই সামান্য মস্তিষ্কের আঘাতে ভুগেছেন এবং ৯৬ শতাংশই দায়িত্বে ফিরেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের টানা আট রাতের হামলায় ইরানের দারখোভিন অঞ্চলের একটি নির্মাণাধীন পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র আক্রান্ত হয়েছে। এর জবাবে কুয়েত ও জর্ডানে পাল্টা হামলা চালিয়েছে তেহরান।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রয়েছে।