যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা শেষ পর্যন্ত কতটা সফল হতে পারে
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনায় প্রায় ৮০ শতাংশ অগ্রগতি অর্জন করেছিল।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনায় প্রায় ৮০ শতাংশ অগ্রগতি অর্জন করেছিল।
যে নেতারা একসময় বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যক্তিকে সন্তুষ্ট করতে, তাঁকে তোষামোদ করতে চেষ্টা করতেন, তাঁরা এখন তাঁর সমালোচনার সাহস দেখাচ্ছেন, তাঁর থেকে দূরত্ব বাড়াচ্ছেন।
লেবাননে গত মার্চ থেকে এ পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় দুই হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনে এই মোটরসাইকেলচালক ১৩ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে তেল পান।
আজ বুধবার জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা জানান।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধে দুই সপ্তাহের বিরতির স্থায়িত্ব নিয়ে এখনো অনেক অনিশ্চয়তা রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে, তবে পরবর্তী পদক্ষেপ তেহরানের ওপর নির্ভরশীল। ইরান হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখলে আলোচনা এগোবে বলে আশা করা হচ্ছে। না হলে আলোচনার ধরন বদলাতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ইরানি বন্দরে নৌ-অবরোধ কার্যকর করেছে। ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানের অর্থ সরবরাহকারী জাহাজ আটকানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আইনজ্ঞরা এটিকে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন বলছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতি শেষ পর্যন্ত স্থায়ী কূটনৈতিক সমাধানে যাবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে দুটি বিষয় ইতিমধ্যেই পরিষ্কার। এক. যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত বিশ্বাসযোগ্যতা বড় ধাক্কা খেয়েছে। দুই. উপসাগরীয় দেশগুলো এক কঠিন ও অস্বস্তিকর অবস্থায় পড়েছে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি হামলায় আহত হয়েও গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিচ্ছেন, রয়টার্স জানায়। তাঁর মুখ ও পায়ের আঘাত এখনো সেরেনি, তবে অডিও কনফারেন্সে রাষ্ট্রীয় বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন। ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনা শুরু হয়েছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিরাপত্তার অজুহাতে দুর্নীতি মামলার সাক্ষ্যদান স্থগিত করার আবেদন করেছেন। আগামী সপ্তাহে মামলার কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা ছিল। এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে তাঁর জেল হতে পারে।
ইরান–যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতি ভঙ্গুর থাকায় হরমুজ প্রণালির কার্যক্রম সীমিত রয়েছে। সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়ায় তেল-গ্যাস ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের দাম স্বাভাবিক হতে সময় লাগতে পারে—বিশেষ করে এলএনজি ও অন্যান্য খাতে ভারসাম্য ফিরতে। বড় শক্তি এবং আঞ্চলিক অংশীদারদের সমন্বয় ছাড়া পরিস্থিতি স্থিতিশীল করা কঠিন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।