
মবের শিকার গভর্নরের উপদেষ্টাও পদত্যাগ করলেন
পদত্যাগের কারণ হিসবে মবের শিকার হওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন গভর্নরের উপদেষ্টা আহসান উল্লাহ। গতকাল বুধবার তিনি গভর্নরের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন।

পদত্যাগের কারণ হিসবে মবের শিকার হওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন গভর্নরের উপদেষ্টা আহসান উল্লাহ। গতকাল বুধবার তিনি গভর্নরের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন।

অব্যবস্থাপনা ও অনিয়মের কারণে ঢাকা ওয়াসা নাগরিক ভোগান্তির সমার্থক হয়ে উঠলেও বিগত কোনো সরকারই সংস্থাটির সংস্কার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগ নেয়নি।

প্রায় এক বছর সাত মাস পর লিখতে বসছি। ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার প্রায় দেড় যুগের ফ্যাসিবাদী শাসনের পতন হয় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট।

আহসান এইচ মনসুরকে বিদায় করে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি নতুন গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় হিসাববিদ ও পোশাক খাতের ব্যবসায়ী মো. মোস্তাকুর রহমানকে। তিনি ছিলেন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির একজন সদস্য।

জামায়াত বলেছে, পরিকল্পিতভাবে জুলাই সনদ নিয়ে রিট পিটিশন দায়ের করিয়ে পর্দার আড়াল থেকে ইন্ধন দেওয়া হলে তা হবে দ্বিচারিতা ও আত্মঘাতী পদক্ষেপ।

খেলাপি ঋণ আদায়ে বিকল্প পদক্ষেপের পরামর্শ গভর্নরের

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুরকে যেভাবে অপসারণ করা হয়েছে, তা নিয়ে চরম সমালোচনা তৈরি হয়েছে। অর্থনীতি ও ব্যাংক খাতের সংকট ও অনিশ্চয়তা কাটাতে তিনি কী করেছেন বা কী করেননি অর্থাৎ তাঁর সাফল্য ও ব্যর্থতার বিষয়টি নিয়েও পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা চলছে। অর্থনীতিবিদদের কাছে তিনি প্রশংসনীয় হলেও ব্যাংকের সাধারণ গ্রাহকদের কাছে তিনি সমালোচিত। তাঁর বিরুদ্ধে ব্যাংকের গ্রাহকদের বড় অভিযোগ, তাঁর কারণে তাঁরা ব্যাংক থেকে তাঁদের আমানত তুলতে পারছিলেন না। আহসান এইচ মনসুরই তাঁদের টাকা আটকে দিয়েছেন। বিষয়টি কেমন? আসুন দেখা যাক।

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট অধ্যাদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিটের বিষয়ে আদালতের রায় দেখেই রাজনৈতিক কর্মসূচির বিষয়ে চিন্তাভাবনা করবে জামায়াতে ইসলামী।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও ঢাকা-১১ আসনের সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘আমাদের লড়াই শেষ হয়নি। বিচার সংস্কার, দুর্নীতি ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম নতুন করে শুরু করতে হবে। জুলাই সনদ ও গণভোটের যে গণরায়ের ভিত্তিতে এই সরকার গঠিত হয়েছে, সেই রায়কে বাতিল করতে আদালতকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের চেষ্টা চলছে। আদালতকে আবারও দলীয়করণের চেষ্টা হচ্ছে।’

বাংলাদেশ ব্যাংক এ বছরের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে—‘আর্থিক সাক্ষরতায় সূচিত হোক নিরাপদ ক্যাশলেস লেনদেন’।

নতুন গভর্নর বলেছেন, চলমান সংস্কারপ্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি সরকারের নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ব্যাংকগুলোকে সহযোগিতা করা হবে।

সদ্য বিদায়ী গভর্নর কঠিন সময়ে দায়িত্ব নিয়ে রিজার্ভ ও ডলার–সংকটসহ তখনকার সংকটগুলো সামাল দিয়েছেন। এখন নতুন গভর্নরকে চলমান সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করে ব্যাংক খাতকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।