ইরানের হাতে হত্যার শিকার হলে করণীয়—নির্দেশনা দিয়েছেন ট্রাম্প
ইরানের হাতে হত্যার শিকার হলে যুক্তরাষ্ট্রের করণীয় বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইরানের হাতে হত্যার শিকার হলে যুক্তরাষ্ট্রের করণীয় বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইরানে চলা যুদ্ধকে ইসরায়েল আমেরিকান জনগণের বিরুদ্ধেও পরাজয়ের মুখোমুখি করেছে। বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ মার্কিন নাগরিক যুদ্ধবিরোধী হয়ে উঠেছে এবং রাজনৈতিক নেতারা ইসরায়েল থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন। এটি ইসরায়েলের বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ।
সামরিক ইতিহাসের অন্যতম জটিল ও অত্যাধুনিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী। পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মার্কিন সৈন্যরা ইরানের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে দেশটির বিভিন্ন পারমাণবিক স্থাপনায় সংরক্ষিত উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেবে। এবং তা নিরাপদে
বিশ্বের দুই বৃহৎ শক্তির বহুল আলোচিত শীর্ষ বৈঠক শেষে শুক্রবার চীন ছাড়লেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
১৯৫৬ সালে সুয়েজ খালের জাতীয়করণ ছিল তেমনই এক সন্ধিক্ষণ, যা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের পতনের ঘণ্টা বাজিয়ে দিয়েছিল। এই সংকট ব্রিটেনের আর্থিক দুর্বলতাকে নগ্ন করে দিয়েছিল। মার্কিন চাপের মুখে পাউন্ড স্টার্লিংয়ে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল। বৈশ্বিক রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে তার অবস্থান দ্রুত ক্ষয়ে গিয়েছিল। আর শেষ পর্যন্ত সাম্রাজ্যবাদী হাত গুটিয়ে আনা অনিবার্য হয়ে উঠেছিল।
গত মার্চে সৌদি আরব ও ইরাকে সিআইএ-র স্থাপনায় ইরানি ড্রোন হামলার পেছনে রাশিয়ার প্রযুক্তিগত সহায়তা বা তথ্য সরবরাহের বিষয়টি তদন্ত করছে মার্কিন গোয়েন্দারা।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ায় চরম আতঙ্কে আছেন প্রবাসী আহমেদ উল্লা। মঙ্গলবার মুঠোফোনে তিনি মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ‘প্রথম যেদিন কাতারে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা হয়, সেদিন থেকেই আমরা চরম আতঙ্কের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।
স্টিভ ব্যানন ইরান যুদ্ধে নেতানিয়াহুর ছেলে ইয়ার নেতানিয়াহু এবং আরব রাজপরিবারের সদস্যদের সম্মুখসারিতে পাঠানোর দাবি জানিয়েছেন। তিনি মিয়ামি ও লন্ডন থেকে তাদের তুলে যুদ্ধক্ষেত্রে মোতায়েন করার আহ্বান জানান। এতে মার্কিন সেনাদের হস্তক্ষেপের সমালোচনা করেছেন ব্যানন।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধে মধ্যস্থতা করতে পাকিস্তান চাপে পড়েছে। ইসরায়েলের বেসামরিক হামলা ও মার্কিন সেনা মোতায়েনের মধ্যে পাকিস্তান শান্তি আলোচনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসলামাবাদে পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক শুরু হয়েছে।
ইরানকে প্রস্তর যুগে ফিরিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডেমোক্র্যাট নেতারা এই বক্তব্যকে নিন্দনীয় ও ভয়াবহ বলে সমালোচনা করেছেন। যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বেড়েছে, যা মার্কিন নাগরিকদের জীবনে প্রভাব ফেলছে।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের যৌক্তিকতার অভাব এবং উভয় মিত্রের লক্ষ্যের বিরোধিতা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে। ইসরায়েলের নেতানিয়াহু রাজনৈতিক সুবিধার জন্য যুদ্ধকে কাজে লাগাচ্ছেন, কিন্তু এতে ভবিষ্যৎ ঝুঁকি বাড়ছে। মার্কিন সাহায্যের অনিশ্চয়তা ইসরায়েলের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ।
ইসলামাবাদে ২১ ঘণ্টা আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের কোনো সমঝোতা হয়নি। ভ্যান্স ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, চুক্তি না হলে তেহরানের জন্য আরও খারাপ পরিণতি অপেক্ষা করছে। আলোচনা চলাকালে মার্কিন প্রতিনিধিদল নিয়মিত প্রেসিডেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিল।