ইরান আত্মসমর্পণ করতে চলেছে, দাবি ট্রাম্পের
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধে ইরান আত্মসমর্পণ করতে চলেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধে ইরান আত্মসমর্পণ করতে চলেছে।
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো জানত ইরান পারমাণবিক অস্ত্র বানাচ্ছে না, তবু ইসরায়েলের মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে জড়ায় বলে দাবি করেছেন সাবেক সন্ত্রাসবাদবিরোধী কর্মকর্তা জো কেন্ট। হোয়াইট হাউস এই দাবিকে মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। যুদ্ধবিরতি চললেও অবরোধ অব্যাহত রয়েছে।
দীর্ঘ কয়েক সপ্তাহের আলোচনা শেষে গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে একটি প্রাথমিক চুক্তিতে সই করেছে। তবে প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিভিন্ন পক্ষ থেকে চুক্তিটি তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। ওয়াশিংটনের কট্টরপন্থী ইরানবিরোধীরা একে একটি একপেশে চুক্তি হিসেবে দেখছেন। অন্যদিকে, ইসরায়েলের সব রাজনৈতিক দলই একে একটি ‘বাজে চুক্তি’ হিসেবে গণ্য করছে।
টানা সপ্তম দিন ইরানের সামরিক-বেসামরিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা। জবাবে উপসাগরীয় কয়েকটি দেশে মার্কিন স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ সচল রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করছে পাকিস্তান।
ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে বাড়ছে তেলের দাম
ট্রাম্পের দাবি, ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে, সেটা নিশ্চিত করাই এ অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংঘাত তীব্র হচ্ছে।
অবশেষে নির্ধারিত সময়ের দুই দিন পর গতকাল রোববার ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শান্তি আলোচনা শুরু হয়েছে।
পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের ২১ ঘণ্টার শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে। ইরান দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের অযৌক্তিক দাবিই মূল কারণ। তেহরান কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রাখার ইঙ্গিত দিয়েছে।
১৪ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ শেষ করার লক্ষ্যে একটি কাঠামোগত সমঝোতায় পৌঁছায়। হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়ার কথা বলা হয়। লেবাননে বোমাবর্ষণ বন্ধের ঘোষণা আসে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—হত্যা, সহিংসতা থামানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।
ইরান থেকে ইসরায়েল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ।