বিশ্বকাপে প্রাইজমানির রেকর্ড ফিফার, তবু লোকসানের শঙ্কা ইউরোপের দলগুলোর
ইউরোপের যেসব দেশে এরই মধ্যে বিশ্বকাপের আয়-ব্যয়ের হিসাব কষেছে, তারা দেখেছে যে আগের মতো লাভ হবে না অথবা খরচ বাড়ছে।
ইউরোপের যেসব দেশে এরই মধ্যে বিশ্বকাপের আয়-ব্যয়ের হিসাব কষেছে, তারা দেখেছে যে আগের মতো লাভ হবে না অথবা খরচ বাড়ছে।
চুক্তি কার্যকর হলে বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের যেসব পণ্যে শুল্কছাড় দিতে হবে, তাতে রাজস্ব আয় কমতে পারে প্রায় ৪১৯ কোটি টাকা।
তারা বিদেশে সাফল্যের গল্প শোনায়, আত্মীয়স্বজনের আর্থিক উন্নতির উদাহরণ তুলে ধরে, দ্রুত আয় ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি দেয়। বাস্তবে তাদের পরিকল্পনা থাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন।
সংসদ সদস্য ও সরকারি দায়িত্বপ্রাপ্ত সবার আয়-ব্যয় ও সম্পদ বিবরণী প্রকাশের দাবি টিআইবির।
নির্বাচিত সরকারের কাছে তিন দিক থেকে মানুষের প্রত্যাশা রয়েছে। এক. অর্থনৈতিক স্থবিরতা কাটিয়ে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও মানুষের আয় বাড়বে।
মুক্তকণ্ঠের প্রতিবেদনটি কোনো ‘ক্লিকবেইট’ সাংবাদিকতা ছিল না। বরং সেটি ছিল, বিনিয়োগ পরিস্থিতির একটি সার্বিক মূল্যায়ন। বিনিয়োগ বাড়লে মানুষের কর্মসংস্থান ও আয় বাড়ে। ফলে এটি অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক।
হবিগঞ্জের প্রান্তিক এলাকায় নারীরা সংসারের পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসা, অনলাইন উদ্যোগ ও গুচ্ছ উদ্যোগের মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। ব্যবসা, চাকরি, প্রবাসী আয়, এসএমই ব্যবসা ও নানা সেবা খাতে যুক্ত হচ্ছেন। এর মাধ্যমে জেলার অর্থনীতিতে পরিবর্তন আসছে।
১০২ কোটি ইউরো (প্রায় ১৪ হাজার ৬১৫ কোটি টাকা) আয় করে সবার ওপরে অবস্থান করছে রিয়াল। তবে এ বছর বড় চমক হয়ে এসেছে লিভারপুল।
রংপুর নগরের লালকুঠির বাসিন্দা মেহেদী ইউটিউব ঘেঁটে মাশরুম চাষ শুরু করেন। এখন কাঁচা মাশরুম, বীজ ও মাশরুমের বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী বিক্রি করে মেহেদীর মাসে আয় ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা।
শিক্ষকতার পাশাপাশি তাঁদের অনেকেই আয় বাড়ানোর জন্য গাভি পালন, গরু মোটাতাজাকরণ, হাঁস-মুরগি পালন, মৎস্য চাষ, নার্সারি স্থাপন, ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনাসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ত রাখেন।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক গতি কমেছে। প্রবৃদ্ধি কমেছে, মূল্যস্ফীতি অনেক দিন ধরে উচ্চপর্যায়ে রয়েছে এবং ব্যাংক খাত খেলাপি ঋণের ভারে জর্জরিত হয়ে আছে। বেসরকারি ও বিদেশি বিনিয়োগ কম, সরকারি বিনিয়োগ অনেক ক্ষেত্রে অদক্ষ ও অপচয়মুখী, সরকারি ঋণ বেড়েছে, মানুষের প্রকৃত আয় কমছে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি অনেক কমে গেছে। এসব কারণে অর্থনীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি চাপ তৈরি হয়েছে।
নিহত নারীরা পেশায় দিনমজুর ছিলেন। তাঁদের আয় দিয়েই চলত সংসার। আজ বেলা ১১টা পর্যন্ত তাঁদের সৎকার হয়নি।