কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ ইরান–যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, কিছু অগ্রগতির ইঙ্গিত
ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন হামলা এড়ানোর মতো কোনো চূড়ান্ত সমাধান হয়নি।
ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন হামলা এড়ানোর মতো কোনো চূড়ান্ত সমাধান হয়নি।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে ইরানের সঙ্গে লড়াই বন্ধের বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
ট্রাম্প বলেছেন, ‘ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশ আমাদের কাছে হামলা স্থগিত রাখার অনুরোধ করেছে।’ সম্ভাব্য চুক্তির ‘রূপরেখা’ এবং হরমুজ প্রণালি উন্মুক্তকরণসহ কয়েকটি বিষয় সামনে আনার কথা বলেছেন তিনি। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার হুমকিতে ইরানের পাল্টা কঠোর প্রতিক্রিয়ার দাবিও উঠে এসেছে প্রতিবেদনে।
মিসরের দামিয়েত্তা বন্দরে মার্কিন গ্যাস ট্যাংকারে ড্রোন হামলার পর সুয়েজ খাল ও সুমেদ পাইপলাইনের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে, যা দৈনিক ৫০ লাখ ব্যারেল তেল সরবরাহকে ঝুঁকিতে ফেলেছে।
ইরানে যা হাতছাড়া হয়েছিল, এখন তা কিউবায় খুঁজছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
নৈশভোজে গুলির ঘটনায় সন্দেহভাজন হামলাকারীর রেখে যাওয়া বার্তা খুঁটিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের হাইফায় এক ভবন ধসে চারজন নিহত হয়েছেন। মধ্যাঞ্চলে গুচ্ছবোমা হামলায় আহত হয়েছেন কয়েকজন। যুদ্ধ শুরুর পর ইরান ৫০০-এর বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে।
ইরানে হামলার ঝুঁকি: সেনাপ্রধানের সতর্কবার্তা, ট্রাম্প ক্ষুব্ধ
কয়েক মাস ধরে মাদুরোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের গুপ্তচরেরা নজর রাখছিলেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। তেহরানসহ ইরানের প্রধান শহরগুলোয় হামলা চালানো হয়।
মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলা চালাতে ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করছে রাশিয়া।
মার্কিন প্রেসিডেন্টদের গোপনীয়তা বজায় রেখে চলাচল আর ট্রাম্পের ক্যাটারিং ট্রাকের ভেতরে লুকিয়ে এক উড়োজাহাজ থেকে আরেক উড়োজাহাজে যাওয়ার বিষয়টি লোকে এক চোখে দেখছে না।