রয়টার্সের বিশ্লেষণ: মোজতবা খামেনিকে সর্বোচ্চ নেতা বানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কী বার্তা দিল ইরান
মোজতবা খামেনি বহুদিন ধরেই তাঁর দেশের সংস্কারপন্থী গোষ্ঠীর বিরোধিতা করে আসছেন।
মোজতবা খামেনি বহুদিন ধরেই তাঁর দেশের সংস্কারপন্থী গোষ্ঠীর বিরোধিতা করে আসছেন।
ট্রাম্প ইরানের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবকে ‘আবর্জনা’ বলে প্রত্যাখ্যান করায় তেহরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা এর গুরুত্ব দেননি। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ যেকোনো আগ্রাসনের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় শুরু যুদ্ধবিরতি এখনো স্থায়ী হয়নি।
সিএনএন যাচাই করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক সংবাদ সম্মেলনের বেশ কয়েকটি মিথ্যা দাবি। ওসামা বিন লাদেন, ইরান যুদ্ধের বিমানহানি, যুদ্ধ থামানোসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর বক্তব্যের সত্যতা প্রমাণিত হয়নি। কিছু ক্ষেত্রে তথ্য অতিরঞ্জিত বা ভুল প্রমাণিত হয়েছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবারই ইরানে নতুন হামলার হুমকি দিচ্ছেন। তবে শেষ মুহূর্তে আবার সে অবস্থান থেকে সরে আসছেন। আবার একই কাজ করলেন তিনি।
ইরানের সঙ্গে টানা পাঁচ সপ্তাহের যুদ্ধে ইসরায়েল কোনো লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি বলে দেশের অভ্যন্তরে ক্ষোভ বাড়ছে। ইনবার বেজিক বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস হয়নি, হুমকি বহাল আছে। রাম বেন-বারাক ও ইয়োসি শাইন নেতানিয়াহুর নীতিকে যুক্তরাষ্ট্রের অধীনস্থতার কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোয় ইরানের হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে চলমান বৈরিতা, নিষেধাজ্ঞা, সামরিক হুমকি ও সংঘাতের পর ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক ঘোষণার ঘটনা ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূরাজনৈতিক উন্নয়ন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
ইরানের হামলায় কুয়েতের সামরিক বাহিনীর কয়েকজন সদস্য আহত হয়েছেন
ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমেরিকা ইরানের বিরুদ্ধে ‘সর্বোচ্চ চাপ’ নীতি নিয়ে বারবার ধাক্কা খাচ্ছে। কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও হুমকি সত্ত্বেও ইরান আত্মসমর্পণ করছে না, বরং প্রতিরোধ জোরদার করছে। এই কৌশল যুদ্ধের ঝুঁকি বাড়িয়ে দীর্ঘ বিপর্যয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
জ্বালানি বাজার থেকে শুরু করে অভিবাসনপথ, ন্যাটো জোট থেকে জনতুষ্টিবাদী রাজনীতির উত্থান পর্যন্ত নানা ক্ষেত্রে এর ঢেউ ইতিমধ্যেই ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে।
ইরাক থেকে লিবিয়া, ভেনেজুয়েলা থেকে ইউক্রেন এবং এখন ইরানের উদাহরণ থেকে একটি সত্য ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে যে একবিংশ শতাব্দীতে সার্বভৌমত্ব আর নিঃশর্ত নয়। ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সার্বভৌমত্বের সীমা এবং ছোট রাষ্ট্রগুলোর চ্যালেঞ্জ নিয়ে লিখেছেন গোলাম রসুল
মধ্যপ্রাচ্যের বিশৃঙ্খলা থেকে উপসাগরীয় দেশগুলোর লাভ নেই। আরব বিশ্বেরও নেই। কিন্তু একটি রাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে মনে করে, অঞ্চলে শক্তির শূন্যতা তৈরি হলে তার আপেক্ষিক শক্তি বাড়ে।