
স্মৃতিসৌধে স্লোগান-মিছিল, সুনামগঞ্জে আওয়ামীপন্থী ২৭ আইনজীবীর নামে মামলা, দুজন গ্রেপ্তার
গ্রেপ্তার মনীষ কান্তি দে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সদস্য। মিজানুর রহমান জেলা ছাত্রলীগের সাবেক আইনবিষয়ক সম্পাদক ও বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সদস্য।

গ্রেপ্তার মনীষ কান্তি দে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সদস্য। মিজানুর রহমান জেলা ছাত্রলীগের সাবেক আইনবিষয়ক সম্পাদক ও বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সদস্য।

বরগুনা শহরে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে মিছিল করেছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীরা। আজ বৃহস্পতিবার সকালে তাঁরা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিল বের করেন।

শুধু উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে নয়, এ পর্যন্ত বিএনপির সব নিয়োগেই একদলীয় অগ্রাধিকার বা একক অধিকার লক্ষ করা যায়। নতুন মেয়র নিয়োগ, ২০ বছর আগের পুলিশ কর্মকর্তাদের পুনর্নিয়োগ এবং আগেকার বিএনপি আমলের আমলাদের পুনর্নিয়োগ সবই বিএনপি ও আওয়ামী লীগের আগের শাসন সময়ের পরিচিত পথ। কিন্তু এসব পদ্ধতি দলগুলোর জন্য আগে কোনো সুফল বয়ে আনেনি; এখনো যে আনবে না, তা আগেভাগে বলে দেওয়া যায়।

এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে অধ্যাপক মাছুদকে কুয়েটের উপাচার্য করা হয়। গত বছর শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে তাঁকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে নুরুল ইসলাম বলেন, গণতন্ত্র, জবাবদিহি ও সুশাসনকে উপেক্ষা করে লুটপাটতন্ত্র কায়েম করা হয়েছিল বলে জানান চিফ হুইপ।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ আছে; বন্ধ আছে, বন্ধ থাকবে।

শরীয়তপুরের তিনটি স্থানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উদ্যাপনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার রক্তদহ বিল এলাকায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ আয়োজিত ইফতার আয়োজনের ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।

এ কারণেই আমরা অতীতে বিএনপির রাষ্ট্রপতির মুখে আওয়ামী বুলি শুনেছি। আর এবার আওয়ামী রাষ্ট্রপতির মুখে বিএনপির বুলি শুনলাম।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ স্থানীয় সরকার ও পেশাজীবী সংগঠন নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচনী রাজনীতিতে ফেরার নতুন কৌশল সাজাচ্ছে।

২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পরই আওয়ামী লীগের নিয়োগ করা গভর্নরের পলায়নের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেয় ড. আহসান হাবীব মনসুরকে। তাঁর ১৮ মাসের মেয়াদকালের নির্মোহ মূল্যায়নে ইতিবাচক-নেতিবাচক—দুই দিকই আসতে পারে। তবে তা কোনোভাবেই একটি নবনির্বাচিত সরকার কর্তৃক অত্যন্ত ন্যক্কারজনকভাবে তাঁর অপসারণের যৌক্তিকতা প্রমাণ করে না।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তিন বছরের মধ্যে তিনটি ভিন্ন সরকারের রাষ্ট্রপতি এবং তিন সরকারের সময়েই তাদের প্রশংসা করে বক্তব্য দিয়েছেন।