ইরান সমঝোতা না মানলে ‘যা করা দরকার, তা–ই করার’ হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
গতকাল সোমবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে এ হুঁশিয়ারি দেন।
গতকাল সোমবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে এ হুঁশিয়ারি দেন।
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলাকালে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে যে সুসম্পর্ক ছিল, তাতে এখন টানাপোড়েন দেখা দিচ্ছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজনৈতিক এই প্রচলিত ধারার ঊর্ধ্বে এক বিস্ময়কর ব্যতিক্রম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। বারবার তাঁর অসত্য দাবিগুলো ধরা পড়লেও তিনি পিছু হটেননি।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, সব ইহুদি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ওপর বিরক্ত।
ফিলিস্তিনি অধিকার কর্মী ও আইসিসি কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে মার্কিন নাগরিকদের মতপ্রকাশের অধিকার খুণ্ন করার অভিযোগে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুটি মানবাধিকার সংগঠন।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফর ইরান যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্র চীনের সাহায্য চাইছে ইরানের ওপর প্রভাব খাটাতে। বাণিজ্য, তাইওয়ান ও অর্থনৈতিক নির্ভরতার মধ্যে বিশ্বের নতুন সমীকরণ ফুটে উঠছে।
ইরানের নেতৃত্ব বহু মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ধাঁধায় ফেলেছে। তবে ট্রাম্পের মতো এতটা বিপাকে সম্ভবত আর কাউকে পড়তে হয়নি।
হ্যাবারম্যান ও সোয়ানের নতুন বইটি আগামী মঙ্গলবার প্রকাশিত হওয়ার কথা।
জর্জিয়া মেলোনি একসময় ট্রাম্পের জোরালো সমর্থক ছিলেন।
গতকাল সোমবার একাধিক মিত্রদেশ ট্রাম্পের আহ্বানকে প্রত্যাখ্যান করেছে।
কোলেট ডেলাওয়ালার ভাষায়, এই উচ্ছেদ অবৈধ এবং তিনি এটিকে ‘আধুনিক যুগের বই পোড়ানোর’ সঙ্গে তুলনা করেন।
ইরান আর বিপ্লবী রাষ্ট্র নয়। এটি এখন এক ভীত, কোণঠাসা ধর্মতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, যা আতঙ্ক নিয়ে ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে আছে। তারা শুধু মার্কিন যুদ্ধজাহাজ বা ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানের ভয়ে আছে, এমনটা নয়।