ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে আংশিক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা
গত ২৫ বছরের মধ্যে লেবাননের সবচেয়ে গভীরে অনুপ্রবেশ করেছে ইসরায়েল।
গত ২৫ বছরের মধ্যে লেবাননের সবচেয়ে গভীরে অনুপ্রবেশ করেছে ইসরায়েল।
লেবাননে ১২০টির বেশি হামলায় নারী-শিশুসহ অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। নড়বড়ে হয়ে পড়েছে সাময়িক যুদ্ধবিরতি।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড ইরানি ট্যাঙ্কারে হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা আক্রমণের হুমকি দিয়েছে। ট্রাম্প ওয়াশিংটনের শান্তি প্রস্তাবে ইরানের দ্রুত জবাব আশা করছেন। লেবানন সীমান্তেও উত্তেজনা চলছে, খারগ দ্বীপে তেল ছড়িয়ে পড়েছে।
লেবানন সরকারের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক শান্তি আলোচনায় রাজি হলেও হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধবিরতি নিয়ে কথা বলবে না ইসরায়েল। আগামী মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে আলোচনা শুরু হবে। লেবাননে চলমান সংঘাতে ১ হাজার ৯৫০-এর বেশি মানুষ নিহত।
দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর সঙ্গে লড়াইয়ে ইসরায়েলি বাহিনীর চার সেনা নিহত হয়েছেন, দুজন আহত। নিহত তিনজন নাহাল ব্রিগেডের গোয়েন্দা ইউনিটের সদস্য। আইডিএফ ঘটনার বিবরণ জানিয়েছে।
লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ১০ জন নিহত ও ৫০ জন আহত হয়েছেন।
মাসের পর মাস যুদ্ধ, চাপ আর কূটনৈতিক নাটকীয়তার পর লেবানন কার্যত ইসরায়েলের সঙ্গে একটি ‘ইচ্ছাপত্রে’ প্রবেশ করেছে। এর প্রতিক্রিয়া আসতে দেরি হয়নি। লেবাননের বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তি, বিশেষ করে হিজবুল্লাহ ও তাদের মিত্ররা এই চুক্তির তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। রাস্তায় প্রতিবাদ হয়েছে, সংবাদমাধ্যমেও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
লেবাননে ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতির পর ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনার প্রথম পর্ব শুরু করতে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ সুইজারল্যান্ডে পৌঁছেছেন।
গতকাল শুক্রবার লেবাননে যুদ্ধবিরতিতে সম্মতির কথা জানায় ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ।
ইরাকের বাগদাদ থেকে ৩১ মার্চ অপহৃত মার্কিন ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক শেলি কিটলসনকে ইরান-সমর্থিত কাতাইব হিজবুল্লাহ মিলিশিয়া মুক্তি দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও মুক্তির খবর নিশ্চিত করেছেন। ইরাকি কর্মকর্তাদের সহায়তায় এখন তাঁর নিরাপদ প্রস্থানের ব্যবস্থা চলছে।
ইসরায়েলের বেইত শেমেশে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বিশাল গর্ত তৈরি হয়েছে এবং জুদিয়ান হিলসে ১২ জন আহত। গত ২৪ ঘণ্টায় ইরান ও হিজবুল্লাহ হামলায় ১৪২ জন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। চলমান যুদ্ধে মোট আহতের সংখ্যা ৫ হাজার ৬৮৯।
হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরুল্লাহ এসডিএফকে সঠিকভাবেই সতর্ক করেছিলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র কখন, কাকে বিক্রি করে দেবে—আপনি তা জানেন না।’