জাহাজটি ৮০ হাজার মানুষকে নিয়ে সারা বিশ্ব ঘুরে বেড়াবে।
এতে স্থায়ীভাবে ৫০ হাজার বাসিন্দার থাকার ব্যবস্থা থাকবে। আরও ১০ হাজার ভ্রমণকারী ও দর্শনার্থীর জন্য জায়গা থাকবে। তাদের সেবা দেবে ২০ হাজার কর্মী।
এতে স্থায়ীভাবে ৫০ হাজার বাসিন্দার থাকার ব্যবস্থা থাকবে। আরও ১০ হাজার ভ্রমণকারী ও দর্শনার্থীর জন্য জায়গা থাকবে। তাদের সেবা দেবে ২০ হাজার কর্মী।
এফ আর খান শুধু একজন প্রকৌশলী নন, বরং বিশ্বনন্দিত এক মেধাবী চিন্তক; যিনি আধুনিক নগর স্থাপত্যের ধারা বদলে দিয়েছেন।
সিডনি অপেরা হাউসের স্থপতি উটজনের নামের পৃথিবী সেরা স্থাপত্যে বাংলাদেশের স্থাপত্যগাথার জয়গান হলো আজ।
অত্যাধুনিক স্থাপত্যশৈলী ও নতুন প্রযুক্তি ভবনকে করে তোলে স্মার্ট। আর এই স্মার্ট ভবনগুলো পরিবেশবান্ধব জীবনযাপনের দিকে আমাদের আকৃষ্ট করছে।
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার বারুহাঁস গ্রামের তিন গম্বুজবিশিষ্ট একটি পুরোনো মসজিদ এখনো স্থাপত্যশৈলীর অনন্য নিদর্শন হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার গিলাবাড়ি গ্রামে মোগল আমলের প্রাচীন মসজিদটি কয়েক শ বছর ধরে ঐতিহ্যের স্মারক হিসেবে টিকে আছে।
কুড়িগ্রামের রাজারহাটে অবস্থিত মোগল আমলের প্রায় সাড়ে চার শ বছরের পুরোনো চান্দামারী জামে মসজিদ। ইট-চুন-সুরকির তিন গম্বুজওয়ালা এ স্থাপনা ইতিহাস ও স্থাপত্যের বিরল নিদর্শন।
সবচেয়ে বড় ১০ মসজিদের একটি তালিকা করেছে দ্য ইসলামিক ইনফরমেশন সেন্টার।
বিকেলে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন স্থপতি ও অধ্যাপক সামসুল ওয়ারেস।
জোনাস সাল্ক পোলিও টিকার সাফল্যের পর চিকিৎসাবিজ্ঞানের নানা শাখায় গবেষণার জন্য একটি ইনস্টিটিউট গড়ে তোলার উদ্যোগ নেন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে স্থপতি লুই কানকে সম্পৃক্ত করা হয়। সান দিয়েগোর লা জোলা এলাকায় গড়ে ওঠা সাল্ক ইনস্টিটিউটের ভাবনা ও স্থাপত্য নিয়ে উৎসাহব্যঞ্জক বর্ণনা—সব মিলিয়ে বিজ্ঞান, মানবিকতা ও আধ্যাত্মিকতার এক মিলনভূমির ছবি।
বাংলাদেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও স্থাপত্য নিদর্শন সম্পর্কে ধারণা দিতে ১৬ একর জায়গাজুড়ে গড়ে তোলা হয় এই স্বাধীনতা কমপ্লেক্স।
পাবনার চাটমোহরে প্রকৃতিবান্ধব স্থাপত্য ও শিক্ষাপদ্ধতির জন্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল 'বড়াল বিদ্যানিকেতন'। ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের 'আমেরিকান ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস' পুরস্কার অর্জন করেছে এই অনন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি।